, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমাদেরকে কাজ করতে হবে: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বিএনপির বিজয় ও হুমায়ুন কবিরের উপদেষ্টা পদপ্রাপ্তিতে ওসমানীনগরে আনন্দ উৎসব সিলেটে সৈয়দ সদাইশাহ মাজার মসজিদ এর ভাঙ্গন ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে : মো. কাইছার আলম রমজানে সিলেটে মাংসের দাম নির্ধারণ, অতিরিক্ত নিলে কঠোর ব্যবস্থা সিলেটে গুলি করার নির্দেশদাতা ম্যাজিস্ট্রেটের তথ্য না দেওয়ায় ডিসিকে শোকজ সুনামগঞ্জে আন্ত:ফসল চাষ করে সফল হচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকরা কালনীর তীরে ধলের মেলা: ভাটির জনপদের প্রাণের উৎসব সিলেটের মুক্তাদিরের ঝুলিতে ৩ মন্ত্রণালয়, আরিফের হাতে ২টির দায়িত্ব সিলেটের গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মোটরসাইকেল আরোহী নিহত ​হাওর রক্ষায় স্বচ্ছতা চাই: সুনামগঞ্জে জোরালো প্রতিবাদ

সুনামগঞ্জে আন্ত:ফসল চাষ করে সফল হচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকরা

পতিত জমিতে আন্ত:ফসল হিসেবে সরিষা ও ভুট্টা চাষ করে সফল হচ্ছেন সুনামগঞ্জ জেলার প্রান্তিক কৃষকরা।

এখানকার কৃষকরা এখন বছরে দুই মৌসুমের ধান আবাদের পাশাপাশি শাকসবজি, রবিশস্যসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করে বছরে এখন দুইটি ফসল ঘরে তুলতে পারছেন।এর ফলে কৃষক একই জমিতে দুই ধরনের ফসল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন।
বিশ্বম্ভপুর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ধনপুর ইউনিয়নের শিলদুয়ার গ্রামের আব্দুল হাসিম ও লক্ষিরপুর গ্রামের নবী হোসেনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আব্দুল হাসিম
বাড়ির পাশে ২৭০ শতাংশ এবং নবী হোসেন ২১০জমিতে এবার ভুট্টার সাথে বারি সরিষা ১৪ চাষ করেছেন।

তিনি এসব ফসল বিক্রি করে সংসারে বাড়তি আয় করতে পারবেন, পাশাপাশি সংসারের পুষ্টি চাহিদাও মিটানো সম্ভব হচ্ছে বলে জানান, তারা। সরিষা সংক্ষিপ্ত সময়ের ফসল। সরিষা তুলার পর ভুট্টার গাছ থেকেই থাবে জমিতে। মাঝখান থেকে অতিরিক্ত আরেকটি ফসলের চাষ করে বাড়তি আয় করা সম্ভব হলো।

উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, এখানকার কৃষকরা আন্ত:ফসল চাষে এগিয়ে এসেছেন।সরিষা এবং ভুট্টা চাষ করে পারিবরিক পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিক্রি করে সংসারে বাড়তি আয় করা সম্ভব হচ্ছে বলে জানান, আন্ত:ফসল চাষিরা।

পতিত জমিতে আন্তঃফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছে।সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই সিলেট অফিসের কর্মকর্তারা।

কৃষকদের কারিগরি সহায়তা ও সবজি বীজ প্রদানসহ অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা করছে সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই সিলেট।

এ ব্যাপারে সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই সিলেট এর বৈজ্ঞানিক সহকারী সৈয়দ আবু রায়হান বলেন, আন্ত:ফসল চাষে
কৃষকদের উৎসাহিত করতে আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে বিশ্বম্ভপুর উপজেলায় ২২ বিঘা জমিতে পরীক্ষামুলক ভাবে আন্ত:ফসল চাষ হিসেবে একই সাথে সরিষা ও ভুট্টার চাষ করা হয়েছে।

তিনি বলেন,দেশের ফসলি জমি হ্রাস, জমির উর্বরতা রক্ষা, কৃষককে ফসল চাষে লাভজনক করে তুলতেই আমাদের এই গবেষণা। কৃষক এখন বছরে দুই মৌসুমের ধান আবাদের পাশাপাশি দুইটি ফসল ঘরে তুলতে পারছেন। ফলে তারা আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন।

তিনি বলেন, আমাদের এ প্রযুক্তি কৃষক পর্যায়ে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে দেশের কৃষি অর্থনীতির চেহারা পাল্টে যাবে।

জনপ্রিয়

মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমাদেরকে কাজ করতে হবে: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

সুনামগঞ্জে আন্ত:ফসল চাষ করে সফল হচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকরা

প্রকাশের সময় : ৩ ঘন্টা আগে

পতিত জমিতে আন্ত:ফসল হিসেবে সরিষা ও ভুট্টা চাষ করে সফল হচ্ছেন সুনামগঞ্জ জেলার প্রান্তিক কৃষকরা।

এখানকার কৃষকরা এখন বছরে দুই মৌসুমের ধান আবাদের পাশাপাশি শাকসবজি, রবিশস্যসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করে বছরে এখন দুইটি ফসল ঘরে তুলতে পারছেন।এর ফলে কৃষক একই জমিতে দুই ধরনের ফসল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন।
বিশ্বম্ভপুর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ধনপুর ইউনিয়নের শিলদুয়ার গ্রামের আব্দুল হাসিম ও লক্ষিরপুর গ্রামের নবী হোসেনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আব্দুল হাসিম
বাড়ির পাশে ২৭০ শতাংশ এবং নবী হোসেন ২১০জমিতে এবার ভুট্টার সাথে বারি সরিষা ১৪ চাষ করেছেন।

তিনি এসব ফসল বিক্রি করে সংসারে বাড়তি আয় করতে পারবেন, পাশাপাশি সংসারের পুষ্টি চাহিদাও মিটানো সম্ভব হচ্ছে বলে জানান, তারা। সরিষা সংক্ষিপ্ত সময়ের ফসল। সরিষা তুলার পর ভুট্টার গাছ থেকেই থাবে জমিতে। মাঝখান থেকে অতিরিক্ত আরেকটি ফসলের চাষ করে বাড়তি আয় করা সম্ভব হলো।

উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, এখানকার কৃষকরা আন্ত:ফসল চাষে এগিয়ে এসেছেন।সরিষা এবং ভুট্টা চাষ করে পারিবরিক পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিক্রি করে সংসারে বাড়তি আয় করা সম্ভব হচ্ছে বলে জানান, আন্ত:ফসল চাষিরা।

পতিত জমিতে আন্তঃফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছে।সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই সিলেট অফিসের কর্মকর্তারা।

কৃষকদের কারিগরি সহায়তা ও সবজি বীজ প্রদানসহ অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা করছে সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই সিলেট।

এ ব্যাপারে সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই সিলেট এর বৈজ্ঞানিক সহকারী সৈয়দ আবু রায়হান বলেন, আন্ত:ফসল চাষে
কৃষকদের উৎসাহিত করতে আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে বিশ্বম্ভপুর উপজেলায় ২২ বিঘা জমিতে পরীক্ষামুলক ভাবে আন্ত:ফসল চাষ হিসেবে একই সাথে সরিষা ও ভুট্টার চাষ করা হয়েছে।

তিনি বলেন,দেশের ফসলি জমি হ্রাস, জমির উর্বরতা রক্ষা, কৃষককে ফসল চাষে লাভজনক করে তুলতেই আমাদের এই গবেষণা। কৃষক এখন বছরে দুই মৌসুমের ধান আবাদের পাশাপাশি দুইটি ফসল ঘরে তুলতে পারছেন। ফলে তারা আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন।

তিনি বলেন, আমাদের এ প্রযুক্তি কৃষক পর্যায়ে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে দেশের কৃষি অর্থনীতির চেহারা পাল্টে যাবে।