, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমাদেরকে কাজ করতে হবে: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বিএনপির বিজয় ও হুমায়ুন কবিরের উপদেষ্টা পদপ্রাপ্তিতে ওসমানীনগরে আনন্দ উৎসব সিলেটে সৈয়দ সদাইশাহ মাজার মসজিদ এর ভাঙ্গন ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে : মো. কাইছার আলম রমজানে সিলেটে মাংসের দাম নির্ধারণ, অতিরিক্ত নিলে কঠোর ব্যবস্থা সিলেটে গুলি করার নির্দেশদাতা ম্যাজিস্ট্রেটের তথ্য না দেওয়ায় ডিসিকে শোকজ সুনামগঞ্জে আন্ত:ফসল চাষ করে সফল হচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকরা কালনীর তীরে ধলের মেলা: ভাটির জনপদের প্রাণের উৎসব সিলেটের মুক্তাদিরের ঝুলিতে ৩ মন্ত্রণালয়, আরিফের হাতে ২টির দায়িত্ব সিলেটের গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মোটরসাইকেল আরোহী নিহত ​হাওর রক্ষায় স্বচ্ছতা চাই: সুনামগঞ্জে জোরালো প্রতিবাদ

কালনীর তীরে ধলের মেলা: ভাটির জনপদের প্রাণের উৎসব

বাংলার লোকজ সংস্কৃতি আর গ্রামীন ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের ধল গ্রামে আজ বুধবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল আলোচিত ঐতিহ্যবাহী ধলের মেলা।

কালনী নদীর তীরঘেঁষা এই মেলা শুধু একটি আয়োজন নয়, এটি ভাটির জনপদের মানুষের আবেগ, সংস্কৃতি ও শেকড়ের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা এক অনন্য উৎসব।

একুশে পদকপ্রাপ্ত বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম তাঁর গানে ধলের মেলাকে অমর করে রেখেছেন

ফাল্গুনে এসেছে ধলের মেলা যাবি যদি আয় দলে দলে, উঠেছে বেলা শাহ আব্দুল করিমের গানের সুরের মতোই প্রতি বছর ফাল্গুনে হাজারো মানুষ দলে দলে ছুটে আসেন এই মেলায়।

উৎসবের আমেজে কালনী পাড় স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেলাকে ঘিরে গতকাল থেকেই বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার ব্যবসায়ীরা মেলা মাঠে এসে দোকানপাট সাজিয়েছেন।

আজ মেলায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করছেন আয়োজক ও স্থানীয়রা।

মেলায় গ্রামীণ পণ্যের পাশাপাশি বিনোদনেরও রয়েছে নানা আয়োজন। প্রতি বছরের মতো এবারও যাত্রাপালা, বাউল গান, সার্কাসসহ নানা লোকজ অনুষ্ঠান মেলার প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠবে।

বেল-কুইয়ার স্বাদে মেলার বিশেষত্ব ধলের মেলার সবচেয়ে জনপ্রিয় আকর্ষণ হচ্ছে বেল ও কুইয়ার (ইক্ষু)। পাশাপাশি দই-মুড়ি, রসগোল্লাসহ নানা মুখরোচক খাবারের দোকানেও জমে ওঠে ভিড়।

এ মেলা নিয়ে শাহ আব্দুল করিম ‘ধলের মেলা’ নামে একটি গ্রন্থও রচনা করেছেন, যা এই উৎসবের ঐতিহাসিক গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

গ্রাম-বাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে ধারণ করে ধলের মেলা আজও টিকে আছে মানুষের ভালোবাসা আর সংস্কৃতির টানে। কালনী নদীর তীরে এই উৎসব যেন ভাটির জনপদের প্রাণের উৎসব হয়ে উঠেছে।

জনপ্রিয়

মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমাদেরকে কাজ করতে হবে: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

কালনীর তীরে ধলের মেলা: ভাটির জনপদের প্রাণের উৎসব

প্রকাশের সময় : ৬ ঘন্টা আগে

বাংলার লোকজ সংস্কৃতি আর গ্রামীন ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের ধল গ্রামে আজ বুধবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল আলোচিত ঐতিহ্যবাহী ধলের মেলা।

কালনী নদীর তীরঘেঁষা এই মেলা শুধু একটি আয়োজন নয়, এটি ভাটির জনপদের মানুষের আবেগ, সংস্কৃতি ও শেকড়ের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা এক অনন্য উৎসব।

একুশে পদকপ্রাপ্ত বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম তাঁর গানে ধলের মেলাকে অমর করে রেখেছেন

ফাল্গুনে এসেছে ধলের মেলা যাবি যদি আয় দলে দলে, উঠেছে বেলা শাহ আব্দুল করিমের গানের সুরের মতোই প্রতি বছর ফাল্গুনে হাজারো মানুষ দলে দলে ছুটে আসেন এই মেলায়।

উৎসবের আমেজে কালনী পাড় স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেলাকে ঘিরে গতকাল থেকেই বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার ব্যবসায়ীরা মেলা মাঠে এসে দোকানপাট সাজিয়েছেন।

আজ মেলায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করছেন আয়োজক ও স্থানীয়রা।

মেলায় গ্রামীণ পণ্যের পাশাপাশি বিনোদনেরও রয়েছে নানা আয়োজন। প্রতি বছরের মতো এবারও যাত্রাপালা, বাউল গান, সার্কাসসহ নানা লোকজ অনুষ্ঠান মেলার প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠবে।

বেল-কুইয়ার স্বাদে মেলার বিশেষত্ব ধলের মেলার সবচেয়ে জনপ্রিয় আকর্ষণ হচ্ছে বেল ও কুইয়ার (ইক্ষু)। পাশাপাশি দই-মুড়ি, রসগোল্লাসহ নানা মুখরোচক খাবারের দোকানেও জমে ওঠে ভিড়।

এ মেলা নিয়ে শাহ আব্দুল করিম ‘ধলের মেলা’ নামে একটি গ্রন্থও রচনা করেছেন, যা এই উৎসবের ঐতিহাসিক গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

গ্রাম-বাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যকে ধারণ করে ধলের মেলা আজও টিকে আছে মানুষের ভালোবাসা আর সংস্কৃতির টানে। কালনী নদীর তীরে এই উৎসব যেন ভাটির জনপদের প্রাণের উৎসব হয়ে উঠেছে।