, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আমার জয়টা একটি নামের ওপর দাঁড়িয়ে, সেটি হচ্ছে এম ইলিয়াস আলী : লুনা সিলেট ৬: বিজয়ের পর ভোটারদের ধন্যবাদ জানালেন এমরান আহমদ চৌধুরী সিলেটে ভূমিধস জয়ের পর নজর এখন মন্ত্রিসভায় : কারা পাচ্ছেন ডাক? মসজিদের মিম্বর থেকে জাতীয় সংসদে মুফতি আবুল হাসান সিলেটে ৩৩ প্রার্থীর মধ্যে ২০ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত সিলেট বিভাগে বিএনপির ভূমিধস জয়, ১৯টির মধ্যে ১৮ আসনে বিজয় সারাদেশে বিএনপির ভূমিধস বিজয়: মুন্সিপাড়ায় বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত কমিশনার থেকে সংসদ: এক রাজনীতির পূর্ণতা সিলেটে ৪৮.১৫ শতাংশ ভোটগ্রহণ, এখনও বাকি পোস্টাল ব্যালটের হিসাব নবীগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, প্রবাসীকে ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড

সিলেটে ভূমিধস জয়ের পর নজর এখন মন্ত্রিসভায় : কারা পাচ্ছেন ডাক?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট বিভাগে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিভাগের ১৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৮টিতেই জয় পেয়েছে দলটি। বাকি একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে জোটসঙ্গী খেলাফত মজলিস। তবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোনো আসন পায়নি।

১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে এই ভূমিধস জয়ের পর দলীয় প্রধান তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সিলেট থেকে কারা মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন, তা নিয়ে দলীয় অঙ্গনে চলছে জল্পনা-কল্পনা।

দলীয় একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, সিলেট-১ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, হবিগঞ্জ-১ আসনের অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ড. হুমায়ুন কবির (টেকনোক্র্যাট) মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন। এ ছাড়া আরও দু-একজনের নাম আলোচনায় রয়েছে।

সিলেট-১ আসনকে ‘মর্যাদার আসন’ হিসেবে দেখা হয়। স্বাধীনতার পর থেকে যে দল এ আসনে জয়ী হয়, সেই দলই সরকার গঠন করে এমন একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। অতীতে এ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন এম সাইফুর রহমান, আবদুস সামাদ আজাদ, দেওয়ান ফরিদ গাজী, হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, আবুল মাল আবদুল মুহিত ও এ কে আব্দুল মোমেন।

এদিকে সিলেট-৪ আসন থেকে নির্বাচিত সাবেক সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীও মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে তৎপর রয়েছেন। তবে দলীয় সূত্রের দাবি, খন্দকার মুক্তাদির গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পেলে আরিফুল হকের সম্ভাবনা কমে যেতে পারে।

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসন থেকে নির্বাচিত ড. রেজা কিবরিয়াকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। এছাড়া হবিগঞ্জ-২ থেকে নির্বাচিত ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, সুনামগঞ্জ-৫ থেকে কলিম উদ্দিন মিলন এবং মৌলভীবাজার-৩ থেকে নির্বাচিত এম নাসের রহমানের নামও ঘুরছে সম্ভাব্য তালিকায়।

বেসরকারি ফল অনুযায়ী, সিলেট বিভাগের ৬টি জেলার মধ্যে সিলেটের ৬ আসনের ৫টিতে, মৌলভীবাজারের ৪টির ৪টিতে, সুনামগঞ্জের ৫টির ৫টিতে এবং হবিগঞ্জের ৪টির ৪টিতেই বিজয়ী হয়েছে বিএনপি। একমাত্র সিলেট-৫ আসনে জোটসঙ্গী খেলাফত মজলিসের প্রার্থী জয় পেয়েছেন।

দলীয় সূত্র বলছে, শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় কারা থাকবেন—সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর। সিলেটে বিএনপির এই নিরঙ্কুশ জয়ের পর এখন সবার নজর সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা ঘোষণার দিকে।

জনপ্রিয়

আমার জয়টা একটি নামের ওপর দাঁড়িয়ে, সেটি হচ্ছে এম ইলিয়াস আলী : লুনা

সিলেটে ভূমিধস জয়ের পর নজর এখন মন্ত্রিসভায় : কারা পাচ্ছেন ডাক?

প্রকাশের সময় : ৫ ঘন্টা আগে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট বিভাগে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিভাগের ১৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৮টিতেই জয় পেয়েছে দলটি। বাকি একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে জোটসঙ্গী খেলাফত মজলিস। তবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোনো আসন পায়নি।

১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে এই ভূমিধস জয়ের পর দলীয় প্রধান তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সিলেট থেকে কারা মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন, তা নিয়ে দলীয় অঙ্গনে চলছে জল্পনা-কল্পনা।

দলীয় একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, সিলেট-১ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, হবিগঞ্জ-১ আসনের অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ড. হুমায়ুন কবির (টেকনোক্র্যাট) মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন। এ ছাড়া আরও দু-একজনের নাম আলোচনায় রয়েছে।

সিলেট-১ আসনকে ‘মর্যাদার আসন’ হিসেবে দেখা হয়। স্বাধীনতার পর থেকে যে দল এ আসনে জয়ী হয়, সেই দলই সরকার গঠন করে এমন একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। অতীতে এ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন এম সাইফুর রহমান, আবদুস সামাদ আজাদ, দেওয়ান ফরিদ গাজী, হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, আবুল মাল আবদুল মুহিত ও এ কে আব্দুল মোমেন।

এদিকে সিলেট-৪ আসন থেকে নির্বাচিত সাবেক সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীও মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে তৎপর রয়েছেন। তবে দলীয় সূত্রের দাবি, খন্দকার মুক্তাদির গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পেলে আরিফুল হকের সম্ভাবনা কমে যেতে পারে।

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসন থেকে নির্বাচিত ড. রেজা কিবরিয়াকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। এছাড়া হবিগঞ্জ-২ থেকে নির্বাচিত ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, সুনামগঞ্জ-৫ থেকে কলিম উদ্দিন মিলন এবং মৌলভীবাজার-৩ থেকে নির্বাচিত এম নাসের রহমানের নামও ঘুরছে সম্ভাব্য তালিকায়।

বেসরকারি ফল অনুযায়ী, সিলেট বিভাগের ৬টি জেলার মধ্যে সিলেটের ৬ আসনের ৫টিতে, মৌলভীবাজারের ৪টির ৪টিতে, সুনামগঞ্জের ৫টির ৫টিতে এবং হবিগঞ্জের ৪টির ৪টিতেই বিজয়ী হয়েছে বিএনপি। একমাত্র সিলেট-৫ আসনে জোটসঙ্গী খেলাফত মজলিসের প্রার্থী জয় পেয়েছেন।

দলীয় সূত্র বলছে, শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় কারা থাকবেন—সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর। সিলেটে বিএনপির এই নিরঙ্কুশ জয়ের পর এখন সবার নজর সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা ঘোষণার দিকে।