সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে একজন যোগ্য, সাহসী ও প্রজ্ঞাবান নারী নেতৃত্ব দেখতে চান সিলেটবাসী। সেই প্রত্যাশার কেন্দ্রে সবার উপরে উঠে এসেছে ফাহিমা আহাদ কুমকুমের নাম। যিনি জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র রাজনীতের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত আছেন।রাজপথের একজন পরীক্ষিত ও আপসহীন নারী নেতৃত্ব হিসেবে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে ফাহিমা আহাদ কুমকুমের নাম ও সর্বমহলে জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে।
জাতীয়বাদী মহিলা দল সিলেট মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা বিএনপির সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফাহিমা কুমকুম সংরক্ষিত নারী আসনের একজন যোগ্য দাবীদার।
সিলেট সোসিও ইকনোমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফাহিমা কুমকুম একজন নির্ভীক সমাজসেবী ও সংগঠক হিসেবে অসহায় নারী ও শিশু নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত কাজ করে যাচ্ছেন।
দলের কঠিন সময়ে পদবীধারীরা যখন নিরবে ফাহিমা কুমকুম রাজপথে ছিলেন জনতার দাবী আদায়ে স্বোচ্চার।দলের নিবেদিত প্রান কর্মী হিসেবে ফাহিমা কুমকুমকে মূল্যায়ন করার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ফাহিমা কুমকুম দলীয় রাজনীতি, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও নারী উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় তিনি সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। এ বিষয়ে শিগগিরই তিনি দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে যোগাযোগ করবেন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেবেন।
এ ব্যাপারে আলাপকালে ফাহিমা আহাদ কুমকুম বলেন, দল যদি আমাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন দেয়, তবে আমি নারী অধিকার, শিক্ষা উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবো। তিনি আরও বলেন, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সমর্থন ও ভালোবাসাই আমার এগিয়ে যাওয়ার মূল শক্তি।
আলাপকালে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানান, ফাহিমা কুমকুম দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে দল উপকৃত হবে বলে তারা মত প্রকাশ করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক 


















