, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে জসীম উদ্দিন খন্দকারের ৩টি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান মন্ত্রী আরিফুল হককে সিলেট উইমেন্স চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ফুলেল শুভেচ্ছা ‘ফুড়ির বাড়ি ইফতারি’ : ঐতিহ্য না সামাজিক জুলুম? বিনিয়োগ বাড়লেই বাড়বে কর্মসংস্থান : সিলেট নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর অঙ্গীকার বীর মুক্তিযোদ্ধা চিত্তরঞ্জন দেব-এর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত বোরকা পরে ক্রেতা সেজে বাজারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, করলেন জরিমানা সংরক্ষিত নারী আসনে সিলেটে আলোচনায় ফাহিমা কুমকুম প্রেমের টানে মৌলভীবাজারে চীনা তরুণী জৈন্তাপুরে নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার: যেন দেখার কেউ নেই গোলাপগঞ্জে মুঘল আমলের ‘দেওয়ান পুল’ রেখে পাশেই হবে নতুন কালভার্ট

জৈন্তাপুরে নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার: যেন দেখার কেউ নেই

সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের মেদল হাওরের কুশি নদী, খেফা নদী ও পাবি জুড়ি নদীর উৎস মুখে বাঁধ দিয়ে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি অবৈধ ভাবে উন্মুক্ত জলমহাল থেকে জোরপূর্বক অবাধে মাছ শিকার করছে। এ বাঁধের কারণে নদী স্বাভাবিক গতি হারাচ্ছে,পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে মাছের অভয়ারণ্য। ফলে ব্যাহত হচ্ছে মাছের উৎপাদন।

সরেজমিনে দেখা যায়, জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর সিলেট তামাবিল মহাসড়ক থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে তিনটি নদীর উৎস মুখে এক্সেভেটর দিয়ে বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। এ বাঁধের কারণে নদী স্বাভাবিক গতি হারাচ্ছে। পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে মাছের অভয়ারণ্য।

নদী শুকিয়ে মাছ ধরায় মাছের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গতবছর ও দুর্বৃত্তরা এরকম বাধ দিয়ে মাছ ধরে ছিল। পরে প্রশাসনের সহযোগিতায় নদীর বাঁধ অপসারণ করা হয়। কিন্তু এবছর মাছ ধরার বিষয়টি কতৃপক্ষকে অবহিত করা হলে রহস্যজনক কারণে
সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ নিরব ভুমিকা পালন করছে। বিষয়টি জৈন্তাপুর উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়।

নদীর উৎস মুখে প্রভাবশালীরা উন্মুক্ত জলমহালে
বেআইনি ভাবে বাঁধ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ আহরন করছে। ফলে এ নিয়ে স্হানীয়দের মধ্যে প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে।
যেন দেখার কেউ নাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারের ফলে কৃষকের চলাচলের একমাত্র নদী পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গরিব মানুষ মরলে কার বা কি আসে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে।

নিয়ম অনুসারে, প্রবহমান কোনো জলাশয়ে কোনো ধরনের বাঁধ, স্থায়ী অবকাঠামো বা অন্য কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। জলাশয়ে পানির প্রবাহ ও মাছের চলাচল বাঁধ দিয়ে বা অন্য কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত করলে শাস্তির বিধানও রয়েছে।

নদী পারের নিরীহ জেলে সম্প্রদায়ের মাছ ধরতে দিচ্ছে না। যার ফলে অসহায় জেলেদের কষ্টে দিনানিপাত করতে হচ্ছে।
নদীর উৎস মুখে বাধ দেওয়ার ফলে নিম্ন অঞ্চল শুকিয়ে গেছে।যার ফলে নিন্মঅঞ্চলের কৃষিজীবি মানুষ,গবাদিপশু, হাসঁ মুরগী পশুপাখির সমস্যা হচ্ছে। দেশীয় মাছের প্রজনন ক্ষমতা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। বিষয়টির সমাধানে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবী জানিয়েছেন স্হানীয়রা।

জনপ্রিয়

সিলেটে জসীম উদ্দিন খন্দকারের ৩টি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান

জৈন্তাপুরে নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার: যেন দেখার কেউ নেই

প্রকাশের সময় : ১৪ ঘন্টা আগে

সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের মেদল হাওরের কুশি নদী, খেফা নদী ও পাবি জুড়ি নদীর উৎস মুখে বাঁধ দিয়ে কতিপয় অসাধু ব্যক্তি অবৈধ ভাবে উন্মুক্ত জলমহাল থেকে জোরপূর্বক অবাধে মাছ শিকার করছে। এ বাঁধের কারণে নদী স্বাভাবিক গতি হারাচ্ছে,পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে মাছের অভয়ারণ্য। ফলে ব্যাহত হচ্ছে মাছের উৎপাদন।

সরেজমিনে দেখা যায়, জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর সিলেট তামাবিল মহাসড়ক থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে তিনটি নদীর উৎস মুখে এক্সেভেটর দিয়ে বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। এ বাঁধের কারণে নদী স্বাভাবিক গতি হারাচ্ছে। পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে মাছের অভয়ারণ্য।

নদী শুকিয়ে মাছ ধরায় মাছের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গতবছর ও দুর্বৃত্তরা এরকম বাধ দিয়ে মাছ ধরে ছিল। পরে প্রশাসনের সহযোগিতায় নদীর বাঁধ অপসারণ করা হয়। কিন্তু এবছর মাছ ধরার বিষয়টি কতৃপক্ষকে অবহিত করা হলে রহস্যজনক কারণে
সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ নিরব ভুমিকা পালন করছে। বিষয়টি জৈন্তাপুর উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়।

নদীর উৎস মুখে প্রভাবশালীরা উন্মুক্ত জলমহালে
বেআইনি ভাবে বাঁধ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ আহরন করছে। ফলে এ নিয়ে স্হানীয়দের মধ্যে প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে।
যেন দেখার কেউ নাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারের ফলে কৃষকের চলাচলের একমাত্র নদী পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গরিব মানুষ মরলে কার বা কি আসে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে।

নিয়ম অনুসারে, প্রবহমান কোনো জলাশয়ে কোনো ধরনের বাঁধ, স্থায়ী অবকাঠামো বা অন্য কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। জলাশয়ে পানির প্রবাহ ও মাছের চলাচল বাঁধ দিয়ে বা অন্য কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত করলে শাস্তির বিধানও রয়েছে।

নদী পারের নিরীহ জেলে সম্প্রদায়ের মাছ ধরতে দিচ্ছে না। যার ফলে অসহায় জেলেদের কষ্টে দিনানিপাত করতে হচ্ছে।
নদীর উৎস মুখে বাধ দেওয়ার ফলে নিম্ন অঞ্চল শুকিয়ে গেছে।যার ফলে নিন্মঅঞ্চলের কৃষিজীবি মানুষ,গবাদিপশু, হাসঁ মুরগী পশুপাখির সমস্যা হচ্ছে। দেশীয় মাছের প্রজনন ক্ষমতা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। বিষয়টির সমাধানে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবী জানিয়েছেন স্হানীয়রা।