ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট মহানগর পুলিশের আওতাধীন ছয়টি থানায় মোট ৯৫টি ভোটকেন্দ্রকে ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পুলিশের ভাষায়, এসব কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
সিলেট জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১ হাজার ১৬টি। এর মধ্যে সিলেট মহানগর পুলিশের আওতায় রয়েছে ২৯৪টি কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রের মধ্যে ৯৫টি ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’, ১৩৪টি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ এবং ৬৫টি ‘সাধারণ’ কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, প্রতিটি কেন্দ্রেই পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি বলেন, “ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।”
মহানগর ও জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, সিটি করপোরেশন ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-১ আসনের সব ভোটকেন্দ্র নগর পুলিশের ছয়টি থানার আওতায়। এছাড়া সিলেট-৩ আসনের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কিছু ভোটকেন্দ্র নগর পুলিশের দুটি থানার অধীনে রয়েছে। বাকি সিলেট-২, ৪, ৫, ৬ ও ৩ আসনের অধিকাংশ কেন্দ্র জেলা পুলিশের আওতাধীন।
গত ৭ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, মহানগরীর ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ কেন্দ্রগুলোতে চারজন অস্ত্রধারী পুলিশ, দুইজন অস্ত্রধারী আনসার এবং লাঠিসহ ১০ জন পুলিশ ও নারী আনসার মোতায়েন থাকবে। ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘সাধারণ’ কেন্দ্রগুলোতেও অনুরূপভাবে নিরাপত্তা সদস্য নিয়োজিত থাকবে।
এদিকে সিলেট জেলা পুলিশের গণমাধ্যম কর্মকর্তা মো. সম্রাট তালুকদার জানান, জেলার দুর্গম এলাকা, ভোটারের সংখ্যা ও কেন্দ্রের অবস্থান বিবেচনায় ১০৩টি কেন্দ্রকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ এবং ৬১৯টি কেন্দ্রকে ‘সাধারণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।”

নিজস্ব প্রতিবেদক 


















