, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সুষ্ঠ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : ডিসি সারওয়ার আলম সুনামগঞ্জে ৩০০ টাকার বেত বিক্রিকে কেন্দ্র করে ভাতিজার হাতে চাচা খুন সুনামগঞ্জে নির্বাচনের জন্য লাগানো সিসি ক্যামেরা চুরি সিলেটের কুচাই থেকে ৪ পেশাদার জুয়াড়ি গ্রেপ্তার সিলেটে ৯৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র, ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ ঘোষণা পুলিশের জিয়া সংসদ সিলেট জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হলেন আজমল খান ওসমান হাদি হত্যার সুষ্ঠু তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে সরকার জানুয়ারি মাসে সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৫ জন ‘আইন সবার জন্য সমান না হলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না’ : সিলেটে অনশনে সিপিবি প্রার্থী সিলেটে মাহফিল থেকে নিখোঁজ মানসিক ভারসাম্যহীন স্ত্রী, সন্ধানে স্বামীর আকুতি

‘আইন সবার জন্য সমান না হলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না’ : সিলেটে অনশনে সিপিবি প্রার্থী

সিলেট-১ আসনে নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ না থাকা এবং প্রশাসনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগে প্রতিবাদী অনশনে বসেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার হোসেন সুমন।

রোববার সকালে সিলেট নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনশন কর্মসূচি শুরু করেন কাস্তে প্রতীকের এই প্রার্থী।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে একই স্থানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবী আনোয়ার হোসেন সুমন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত না হলে তিনি আমরণ অনশনে যাবেন।

বর্তমান নির্বাচনি পরিস্থিতিতে প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করে সিপিবি প্রার্থী বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ দেখিয়ে তার নির্বাচনি প্রচারণার বৈধ বিলবোর্ড অপসারণ করা হলেও একই ধরনের কিংবা আরও গুরুতর অনিয়ম অন্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উপেক্ষা করা হচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করেন, সিলেট মহানগরের অন্তত দুইজন প্রার্থী প্রকাশ্যেই আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রতিটি ওয়ার্ডে দুই থেকে তিনশ করে বিলবোর্ড স্থাপন করেছেন। অথচ এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

আনোয়ার হোসেন সুমন আরও বলেন, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছে ফেস্টুন লাগানো, নির্ধারিত আকারের চেয়ে বড় পোস্টার ও ব্যানার ব্যবহার এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশায় পোস্টার লাগানোর মতো অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় নীরব ভূমিকা পালন করছে।

তিনি বলেন, “নির্বাচনি আচরণবিধি যদি সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ না হয়, তাহলে কোনোভাবেই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এক প্রার্থীর ক্ষেত্রে আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে, আর অন্যদের ক্ষেত্রে তা উপেক্ষা করা হচ্ছে—এটি সরাসরি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের পরিপন্থী।”

সিপিবি প্রার্থী জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ও লিখিত আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তিনি এই প্রতিবাদী অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। একই সঙ্গে তিনি অবিলম্বে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সবার জন্য সমান আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, “এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই।”

জনপ্রিয়

সুষ্ঠ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : ডিসি সারওয়ার আলম

‘আইন সবার জন্য সমান না হলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না’ : সিলেটে অনশনে সিপিবি প্রার্থী

প্রকাশের সময় : ১২ ঘন্টা আগে

সিলেট-১ আসনে নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ না থাকা এবং প্রশাসনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগে প্রতিবাদী অনশনে বসেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার হোসেন সুমন।

রোববার সকালে সিলেট নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনশন কর্মসূচি শুরু করেন কাস্তে প্রতীকের এই প্রার্থী।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে একই স্থানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবী আনোয়ার হোসেন সুমন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত না হলে তিনি আমরণ অনশনে যাবেন।

বর্তমান নির্বাচনি পরিস্থিতিতে প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করে সিপিবি প্রার্থী বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ দেখিয়ে তার নির্বাচনি প্রচারণার বৈধ বিলবোর্ড অপসারণ করা হলেও একই ধরনের কিংবা আরও গুরুতর অনিয়ম অন্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উপেক্ষা করা হচ্ছে।

তিনি অভিযোগ করেন, সিলেট মহানগরের অন্তত দুইজন প্রার্থী প্রকাশ্যেই আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রতিটি ওয়ার্ডে দুই থেকে তিনশ করে বিলবোর্ড স্থাপন করেছেন। অথচ এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

আনোয়ার হোসেন সুমন আরও বলেন, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছে ফেস্টুন লাগানো, নির্ধারিত আকারের চেয়ে বড় পোস্টার ও ব্যানার ব্যবহার এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশায় পোস্টার লাগানোর মতো অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় নীরব ভূমিকা পালন করছে।

তিনি বলেন, “নির্বাচনি আচরণবিধি যদি সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ না হয়, তাহলে কোনোভাবেই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এক প্রার্থীর ক্ষেত্রে আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে, আর অন্যদের ক্ষেত্রে তা উপেক্ষা করা হচ্ছে—এটি সরাসরি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের পরিপন্থী।”

সিপিবি প্রার্থী জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ও লিখিত আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তিনি এই প্রতিবাদী অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। একই সঙ্গে তিনি অবিলম্বে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সবার জন্য সমান আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, “এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই।”