, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে সেনাবাহিনীর অভিযানে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ২ নেতার বাসা থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার খাল খননে প্রাণ ফিরেছে দক্ষিণ সুরমার কৃষিতে, সেচ সুবিধায় হাসি ফিরেছে হাজারো কৃষকের মুখে সিলেটে বাল্যবিবাহ রুখে দিল উপজেলা প্রশাসন, মুচলেকায় বন্ধ হলো বিয়ে খালেদা জিয়ার ঐতিহ্য বজায় রেখে সিলেট থেকে প্রচার শুরু করছেন তারেক রহমান সুনামগঞ্জে হাওরে তাণ্ডব: হাঁসের খামারে সশস্ত্র হামলা ও লুটপাট, মালিকসহ তিনজন রক্তাক্ত মৌলভীবাজারে ডাকাতি করে পালানোর সময় অস্ত্র ও লুন্ঠিত মালামালসহ আটক ৪ বাংলাদেশসহ চার দেশের শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রক্রিয়া কঠিন করল অস্ট্রেলিয়া সিলেটের বেলুন ভারতে, আসামে আতঙ্কে পুলিশ সিলেটে যাত্রীবেশে ভয়ংকর ছিনতাই চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার সিএনজি দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন

আ.লীগের চেয়ারম্যানের মামলা থেকে খালাস পেলেন সাংবাদিক সাইফুর তালুকদার

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রনিখাই ইউনিয়ন পরিষদে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন ইমাদের দায়ের করা মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুর রহমান তালুকদার। তিনি সিলেটের প্রথম নিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টাল আজকের সিলেট এর এডিটর ইন চিফ ও দৈনিক দিনকাল এর সিলেট অফিসের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যার চলাকালে পবিত্র ঈদ উল আযহার সময় দুর্গতদের জন্য দেয়া গরু আত্মসাৎ করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শালিসও হয়। এর সূত্র ধরে সিলেটের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজপোর্টাল আজকের সিলেট সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট সাংবাদিক এম. সাইফুর রহমান তালুকদার সহ ১৩জনকে আসামী করে সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান ইমাদ। মামলাটি দায়েরের পর তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই।

পরে তৎক্ষালীন সরকার দলের জনপ্রতিনিধি ও নেতাদের চাপে সম্পূর্ণ অন্যায় ও ভিত্তিহীন ভাবে ৩ জন সাংবাদিক সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে পিবিআই। এর পর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে আদালত।সর্বশেষ গতকাল দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে মামলাটি খারিজ করে দেন আদালত।

সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার মুনজের আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুর রহমান তালুকদার বলেন, বিগত সময়ে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করার জন্য কালো আইন করা হয়েছিল। সেই আইনেই আমরা মামলা ও হয়রানীর শিকার হয়েছি। এই মামলাটির বাদি একজন চিহিৃত দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্ট। সর্বশেষ জুলাই বিপ্লবের সময়েও নিরিহ ছাত্রজনতার উপর হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। মামলাটিতে গ্রেফতারী পরোয়ানা/হুলিয়া মাথায় নিয়ে ঘুরছিলাম, এক পর্যায়ে এই মামলাটির জন্য দেশত্যাগেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আজ মুক্ত হলাম। আলহামদুলিল্লাহ।

জনপ্রিয়

সিলেটে সেনাবাহিনীর অভিযানে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ২ নেতার বাসা থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

আ.লীগের চেয়ারম্যানের মামলা থেকে খালাস পেলেন সাংবাদিক সাইফুর তালুকদার

প্রকাশের সময় : ০৬:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রনিখাই ইউনিয়ন পরিষদে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন ইমাদের দায়ের করা মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুর রহমান তালুকদার। তিনি সিলেটের প্রথম নিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টাল আজকের সিলেট এর এডিটর ইন চিফ ও দৈনিক দিনকাল এর সিলেট অফিসের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যার চলাকালে পবিত্র ঈদ উল আযহার সময় দুর্গতদের জন্য দেয়া গরু আত্মসাৎ করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় শালিসও হয়। এর সূত্র ধরে সিলেটের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজপোর্টাল আজকের সিলেট সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট সাংবাদিক এম. সাইফুর রহমান তালুকদার সহ ১৩জনকে আসামী করে সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান ইমাদ। মামলাটি দায়েরের পর তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই।

পরে তৎক্ষালীন সরকার দলের জনপ্রতিনিধি ও নেতাদের চাপে সম্পূর্ণ অন্যায় ও ভিত্তিহীন ভাবে ৩ জন সাংবাদিক সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে পিবিআই। এর পর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে আদালত।সর্বশেষ গতকাল দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে মামলাটি খারিজ করে দেন আদালত।

সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার মুনজের আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুর রহমান তালুকদার বলেন, বিগত সময়ে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করার জন্য কালো আইন করা হয়েছিল। সেই আইনেই আমরা মামলা ও হয়রানীর শিকার হয়েছি। এই মামলাটির বাদি একজন চিহিৃত দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্ট। সর্বশেষ জুলাই বিপ্লবের সময়েও নিরিহ ছাত্রজনতার উপর হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। মামলাটিতে গ্রেফতারী পরোয়ানা/হুলিয়া মাথায় নিয়ে ঘুরছিলাম, এক পর্যায়ে এই মামলাটির জন্য দেশত্যাগেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আজ মুক্ত হলাম। আলহামদুলিল্লাহ।