, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

সিলেটে এনসিপির ৩ প্রার্থী: তিনজনই উচ্চশিক্ষিত, কোটিপতি একজন

সিলেট জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। দাখিল করা হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা যায়, তিন প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত হলেও তাদের আয় ও সম্পদের চিত্রে রয়েছে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য। এদের মধ্যে একজন কোটিপতি, আর দুইজনের আয় ও সম্পদ তুলনামূলকভাবে কম। দুই প্রার্থীর দেশের ভেতর ও বাইরে আয়ের উৎস রয়েছে।

সিলেট-১ আসনের প্রার্থী এহতেশামুল হক একসময় দ্বৈত নাগরিক ছিলেন। চলতি বছরের ২২ অক্টোবর তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন। মাস্টার্স ডিগ্রিধারী এহতেশামুল পেশায় কনসালটেন্ট এবং যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। তার স্ত্রী সাবিনা আক্তার যুক্তরাজ্যের কমিউনিটি কাউন্সিলর ক্যাবিনেট মেম্বার। হলফনামা অনুযায়ী, এহতেশামুলের দেশে বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং বিদেশে ৬ লাখ টাকা। স্ত্রীর বিদেশি আয় ৪০ লাখ টাকা। তার নগদ ও ব্যাংক জমাসহ অস্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের মূল্য ১৫ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

সিলেট-৩ আসনে এনসিপির প্রার্থী ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ। এলএলএম ডিগ্রিধারী জুনেদ পেশায় শিক্ষানবীশ আইনজীবী। তার স্ত্রী তানজিনা শহীদ একজন চিকিৎসক। হলফনামা অনুযায়ী, জুনেদের বার্ষিক আয় ৬ লাখ টাকা। তার নগদ ও ব্যাংকে মোট জমা রয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। গাড়ি, স্বর্ণ, ইলেকট্রনিক পণ্য ও আসবাবপত্রসহ অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়া কৃষি ও অকৃষি জমিসহ স্থাবর সম্পদের মূল্য ১০ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

সিলেট-৪ আসনের প্রার্থী মো. রাশেদ উল আলম পেশায় আইটি ডেভেলপার। তিনি একসময় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করতেন। তার স্ত্রী রানু বেগম যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ব্যবসায়ী। হলফনামা অনুযায়ী, রাশেদের দেশে বার্ষিক আয় ৪৮ লাখ টাকা এবং বিদেশে ৬২ লাখ টাকা। স্ত্রীর বিদেশি আয় ৩০ লাখ টাকা। তার নগদ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩৯ লাখ ৬৩ হাজার টাকা এবং স্ত্রী ও নির্ভরশীলদের কাছে রয়েছে ৪০ লাখ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৫১ লাখ টাকার বেশি। এছাড়া ৬০ ডেসিমেল অকৃষি জমি ও একটি বাসাসহ স্থাবর সম্পদের মোট মূল্য দেখানো হয়েছে ২ কোটি ২৪ লাখ টাকার বেশি।

হলফনামার তথ্যে দেখা যায়, তিন প্রার্থীই শিক্ষিত ও পেশাগতভাবে প্রতিষ্ঠিত হলেও আয়-সম্পদের দিক থেকে তাদের মধ্যে স্পষ্ট বৈচিত্র্য রয়েছে।

সিলেট থেকে রোহিঙ্গা যুবক আটক

সিলেটে এনসিপির ৩ প্রার্থী: তিনজনই উচ্চশিক্ষিত, কোটিপতি একজন

প্রকাশের সময় : ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

সিলেট জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। দাখিল করা হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা যায়, তিন প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত হলেও তাদের আয় ও সম্পদের চিত্রে রয়েছে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য। এদের মধ্যে একজন কোটিপতি, আর দুইজনের আয় ও সম্পদ তুলনামূলকভাবে কম। দুই প্রার্থীর দেশের ভেতর ও বাইরে আয়ের উৎস রয়েছে।

সিলেট-১ আসনের প্রার্থী এহতেশামুল হক একসময় দ্বৈত নাগরিক ছিলেন। চলতি বছরের ২২ অক্টোবর তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন। মাস্টার্স ডিগ্রিধারী এহতেশামুল পেশায় কনসালটেন্ট এবং যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। তার স্ত্রী সাবিনা আক্তার যুক্তরাজ্যের কমিউনিটি কাউন্সিলর ক্যাবিনেট মেম্বার। হলফনামা অনুযায়ী, এহতেশামুলের দেশে বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং বিদেশে ৬ লাখ টাকা। স্ত্রীর বিদেশি আয় ৪০ লাখ টাকা। তার নগদ ও ব্যাংক জমাসহ অস্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের মূল্য ১৫ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

সিলেট-৩ আসনে এনসিপির প্রার্থী ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ। এলএলএম ডিগ্রিধারী জুনেদ পেশায় শিক্ষানবীশ আইনজীবী। তার স্ত্রী তানজিনা শহীদ একজন চিকিৎসক। হলফনামা অনুযায়ী, জুনেদের বার্ষিক আয় ৬ লাখ টাকা। তার নগদ ও ব্যাংকে মোট জমা রয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। গাড়ি, স্বর্ণ, ইলেকট্রনিক পণ্য ও আসবাবপত্রসহ অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়া কৃষি ও অকৃষি জমিসহ স্থাবর সম্পদের মূল্য ১০ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

সিলেট-৪ আসনের প্রার্থী মো. রাশেদ উল আলম পেশায় আইটি ডেভেলপার। তিনি একসময় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করতেন। তার স্ত্রী রানু বেগম যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ব্যবসায়ী। হলফনামা অনুযায়ী, রাশেদের দেশে বার্ষিক আয় ৪৮ লাখ টাকা এবং বিদেশে ৬২ লাখ টাকা। স্ত্রীর বিদেশি আয় ৩০ লাখ টাকা। তার নগদ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩৯ লাখ ৬৩ হাজার টাকা এবং স্ত্রী ও নির্ভরশীলদের কাছে রয়েছে ৪০ লাখ টাকা। অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৫১ লাখ টাকার বেশি। এছাড়া ৬০ ডেসিমেল অকৃষি জমি ও একটি বাসাসহ স্থাবর সম্পদের মোট মূল্য দেখানো হয়েছে ২ কোটি ২৪ লাখ টাকার বেশি।

হলফনামার তথ্যে দেখা যায়, তিন প্রার্থীই শিক্ষিত ও পেশাগতভাবে প্রতিষ্ঠিত হলেও আয়-সম্পদের দিক থেকে তাদের মধ্যে স্পষ্ট বৈচিত্র্য রয়েছে।