, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

লাফার্জের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, ঠিকাদারি না পেয়ে মামলা

সুনামগঞ্জের ছাতকে বহুজাতিক সিমেন্ট কোম্পানি লাফার্জহোলসিমের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। স্থানীয় এক ব্যক্তি নানাভাবে লাফার্জহোলসিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। জোরপূর্বক কাজ হাতিয়ে নিতে না পেরে মামলার পথে হাঁটছেন। স্থানীয়দের দাবি, কোম্পানির কাছ থেকে ৫ লাখ টন মাটির ঠিকাদারি না পেয়েই মামলার পথে হাঁটেন নোয়ারাই ইউনিয়নের বাসিন্দা আয়নুল আহমেদ।

ছাতকের শিল্পাঞ্চলে লাফার্জহোলসিমের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত শত শত পরিবার। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, এ ধরনের পরিকল্পিত অপপ্রচার ও মিথ্যা মামলা’ অব্যাহত থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন সাধারণ ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষ।
স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ, আয়নুল মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যের ভিত্তিতে আদালতে মামলা করেছেন। তার কারণে এলাকাবাসীকে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, চলতি বছর আয়নুল লাফার্জহোলসিমকে ৫ লাখ টন মাটির সরবরাহ আদেশ দেওয়ার জন্য চাপ দেন। তার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরপরই তিনি পুরোনো মামলা পুনরায় সক্রিয় করেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী শামস মিয়া বলেন, আয়নল মাঠ
সংগঠনের ব্যানারে বায়ু, পানি ও মাটি দূষণের অভিযোগে লাফার্জের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদফতরের সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি সরেজমিন পরিদর্শন করে অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি।

তবে কমিটি অতিরিক্ত ডাস্ট কালেক্টর স্থাপনসহ কিছু সুপারিশ করেছিল। লাফার্জহোলসিম সেসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করে পরিবেশ অধিদফতরে প্রতিবেদন জমা দেয়।

নিজের জমির মাটি সরবরাহ করছেন। তাঁর কথায়, টেংগারগাঁও গ্রামের কৃষক আব্দুর রহিম এ বছর যে জমি বছরের বেশিরভাগ সময় পানির নিচে কাটলে চাষযোগ্য হয়ে ওঠে। অতীতে যাদের জমি থাকে, ফসল হয় না- সেই জমিতে একটু মাটি থেকে মাটি নেওয়া হয়েছে, তারা এখন বোরো চাষ করতে পারছেন। লাফার্জের এই কার্যক্রম কৃষকের জন্য আশীর্বাদ। এর অন্যতম উদাহরন মিজানুর কোম্পানির হেড অব কমিউনিকেশনস অফিসার রহমানের সমন্বিত কৃষি খামার। তৌহিদুল ইসলাম সিলেটের মানচিত্রকে বলেন, লাফার্জহোলসিম আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি প্রতিষ্ঠান। আড়াই দশক ধরে স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে পরিবেশসম্মতভাবে ছাতকে বিশ্বমানের কারখানা পরিচালনা করে আসছে।

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে আয়নুল আহমেদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার সংগঠনের নিবন্ধন আছে । মূলত, লাফার্জ পরিবেশ নষ্ট করছে, তাই আমি পূর্ব থেকেই অভিযোগ করে আসছি। আমি তাদের কাছে কাজের জন্য তদবির করিনি, তারাই আমার কাছে এসে তদবির করে। আমি এ ব্যাপারে কোনো আপোষ করিনি। তিনি আরও বলেন, যারা কৃষকদের কথা বলছে, তারা প্রকৃত কৃষক নয়, তারা লাফার্জের লোক। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।

সূত্র : সিলেটের মানচিত্র

সিলেট থেকে রোহিঙ্গা যুবক আটক

লাফার্জের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, ঠিকাদারি না পেয়ে মামলা

প্রকাশের সময় : এক ঘন্টা আগে

সুনামগঞ্জের ছাতকে বহুজাতিক সিমেন্ট কোম্পানি লাফার্জহোলসিমের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। স্থানীয় এক ব্যক্তি নানাভাবে লাফার্জহোলসিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। জোরপূর্বক কাজ হাতিয়ে নিতে না পেরে মামলার পথে হাঁটছেন। স্থানীয়দের দাবি, কোম্পানির কাছ থেকে ৫ লাখ টন মাটির ঠিকাদারি না পেয়েই মামলার পথে হাঁটেন নোয়ারাই ইউনিয়নের বাসিন্দা আয়নুল আহমেদ।

ছাতকের শিল্পাঞ্চলে লাফার্জহোলসিমের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত শত শত পরিবার। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, এ ধরনের পরিকল্পিত অপপ্রচার ও মিথ্যা মামলা’ অব্যাহত থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন সাধারণ ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষ।
স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ, আয়নুল মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যের ভিত্তিতে আদালতে মামলা করেছেন। তার কারণে এলাকাবাসীকে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, চলতি বছর আয়নুল লাফার্জহোলসিমকে ৫ লাখ টন মাটির সরবরাহ আদেশ দেওয়ার জন্য চাপ দেন। তার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরপরই তিনি পুরোনো মামলা পুনরায় সক্রিয় করেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী শামস মিয়া বলেন, আয়নল মাঠ
সংগঠনের ব্যানারে বায়ু, পানি ও মাটি দূষণের অভিযোগে লাফার্জের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদফতরের সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি সরেজমিন পরিদর্শন করে অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি।

তবে কমিটি অতিরিক্ত ডাস্ট কালেক্টর স্থাপনসহ কিছু সুপারিশ করেছিল। লাফার্জহোলসিম সেসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করে পরিবেশ অধিদফতরে প্রতিবেদন জমা দেয়।

নিজের জমির মাটি সরবরাহ করছেন। তাঁর কথায়, টেংগারগাঁও গ্রামের কৃষক আব্দুর রহিম এ বছর যে জমি বছরের বেশিরভাগ সময় পানির নিচে কাটলে চাষযোগ্য হয়ে ওঠে। অতীতে যাদের জমি থাকে, ফসল হয় না- সেই জমিতে একটু মাটি থেকে মাটি নেওয়া হয়েছে, তারা এখন বোরো চাষ করতে পারছেন। লাফার্জের এই কার্যক্রম কৃষকের জন্য আশীর্বাদ। এর অন্যতম উদাহরন মিজানুর কোম্পানির হেড অব কমিউনিকেশনস অফিসার রহমানের সমন্বিত কৃষি খামার। তৌহিদুল ইসলাম সিলেটের মানচিত্রকে বলেন, লাফার্জহোলসিম আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি প্রতিষ্ঠান। আড়াই দশক ধরে স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে পরিবেশসম্মতভাবে ছাতকে বিশ্বমানের কারখানা পরিচালনা করে আসছে।

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে আয়নুল আহমেদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার সংগঠনের নিবন্ধন আছে । মূলত, লাফার্জ পরিবেশ নষ্ট করছে, তাই আমি পূর্ব থেকেই অভিযোগ করে আসছি। আমি তাদের কাছে কাজের জন্য তদবির করিনি, তারাই আমার কাছে এসে তদবির করে। আমি এ ব্যাপারে কোনো আপোষ করিনি। তিনি আরও বলেন, যারা কৃষকদের কথা বলছে, তারা প্রকৃত কৃষক নয়, তারা লাফার্জের লোক। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।

সূত্র : সিলেটের মানচিত্র