, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

সৈয়দুর রহমানের কৃষি প্রকল্প পরিদর্শনে দক্ষিণ সুরমার ইউএনও

সিলেটের সফল কৃষক সৈয়দুর রহমানের কৃষি প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম আনীক চৌধুরী।

তিনি বুধবার বিকেলে উপজেলার খাল খনন কর্মসূচি পরিদর্শন ও কৃষকদের সাথে মতবিনিময় শেষে মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের মন্দিরখলা গ্রামের কৃষক সৈয়দুর রহমানের কৃষি প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গৌতম পাল, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আশীষ দে, সত্যব্রত দাসসহ এলাকার কৃষকরা। তিনি সৈয়দুর রহমানের রঙিন ফুলকপি, বীটরুট,শসা, করলা ও পেয়াজ ক্ষেত পরিদর্শন করেন।

উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম আনীক চৌধুরী বলেন,কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন মানেই দেশের উন্নয়ন। ধান চাষের পাশাপাশি সবজী চাষে ও কৃষকদের এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে পতিত জমিকে চাষ যোগ্য করে সেখানে সবজি চাষাবাদ বাড়াতে হবে। সবজী চাষের মাধ্যমে একজন কৃষক পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে বাজার বিক্রি করতে পারে। এতে কৃষকরা অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হতে পারে।
তিনি কৃষি বিভাগের সাথে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে চাষাবাদের প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য কৃষকদের প্রতি আহবান জানান।

সিলেটের জৈন্তাপুরে বালুচাপায় যুবকের মৃত্যু

সৈয়দুর রহমানের কৃষি প্রকল্প পরিদর্শনে দক্ষিণ সুরমার ইউএনও

প্রকাশের সময় : ৫ ঘন্টা আগে

সিলেটের সফল কৃষক সৈয়দুর রহমানের কৃষি প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম আনীক চৌধুরী।

তিনি বুধবার বিকেলে উপজেলার খাল খনন কর্মসূচি পরিদর্শন ও কৃষকদের সাথে মতবিনিময় শেষে মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের মন্দিরখলা গ্রামের কৃষক সৈয়দুর রহমানের কৃষি প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গৌতম পাল, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আশীষ দে, সত্যব্রত দাসসহ এলাকার কৃষকরা। তিনি সৈয়দুর রহমানের রঙিন ফুলকপি, বীটরুট,শসা, করলা ও পেয়াজ ক্ষেত পরিদর্শন করেন।

উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম আনীক চৌধুরী বলেন,কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন মানেই দেশের উন্নয়ন। ধান চাষের পাশাপাশি সবজী চাষে ও কৃষকদের এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে পতিত জমিকে চাষ যোগ্য করে সেখানে সবজি চাষাবাদ বাড়াতে হবে। সবজী চাষের মাধ্যমে একজন কৃষক পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে বাজার বিক্রি করতে পারে। এতে কৃষকরা অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হতে পারে।
তিনি কৃষি বিভাগের সাথে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে চাষাবাদের প্রতি মনোযোগী হওয়ার জন্য কৃষকদের প্রতি আহবান জানান।