, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের বড় মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেখাতে হবে: লিটলবার্ড কিন্ডারগার্টেন এ সংবর্ধনা সিলেটে সেনাবাহিনীর অভিযানে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ২ নেতার বাসা থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার খাল খননে প্রাণ ফিরেছে দক্ষিণ সুরমার কৃষিতে, সেচ সুবিধায় হাসি ফিরেছে হাজারো কৃষকের মুখে সিলেটে বাল্যবিবাহ রুখে দিল উপজেলা প্রশাসন, মুচলেকায় বন্ধ হলো বিয়ে খালেদা জিয়ার ঐতিহ্য বজায় রেখে সিলেট থেকে প্রচার শুরু করছেন তারেক রহমান সুনামগঞ্জে হাওরে তাণ্ডব: হাঁসের খামারে সশস্ত্র হামলা ও লুটপাট, মালিকসহ তিনজন রক্তাক্ত মৌলভীবাজারে ডাকাতি করে পালানোর সময় অস্ত্র ও লুন্ঠিত মালামালসহ আটক ৪ বাংলাদেশসহ চার দেশের শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রক্রিয়া কঠিন করল অস্ট্রেলিয়া সিলেটের বেলুন ভারতে, আসামে আতঙ্কে পুলিশ সিলেটে যাত্রীবেশে ভয়ংকর ছিনতাই চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার সিএনজি

নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে বিশ্বনাথে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছেলেকে সহযোগীতা করলেন বাবা

১০ এপ্রিল থেকে এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা শুরু হয়েছে। কিন্তু হাজী মফিজ আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রতে নিয়মবহির্ভুত কাজ করে যাচ্ছেন একই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খায়রুল আলম ফকির। অবৈধভাবে নিজের প্রভাব খাটিয়ে ও পরীক্ষার দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অজান্তে নিজের বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রতে নিজের ছেলেকে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।

তাঁর ছেলের নাম মাহাতির মোহাম্মদ। যার রেজিস্ট্রেশন নং-২২১৬১২৯১৯৭। রোলনং- ৩১২১৯০। সে সৎপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, দায়িত্ব প্রাপ্তদের তালিকায় তার নাম না থাকলেও নিয়ম বহির্ভুতভাবে নিজের প্রতিষ্ঠান হিসেবে ওই পরীক্ষা কেন্দ্রতে রয়েছে অবাদ বিচরণ। পরীক্ষা শুরুর আগে প্রশ্ন পত্র গণনায়ও তিনি উপস্থিত থাকেন। এনিয়ে অন্য স্কুল শিক্ষকদের মধ্যে চলছে নানা গুঞ্জন। প্রকাশ্যে কিছু বলতে না পারলেও এসকল শিক্ষকদের মধ্যে চরম হাতাশা আর ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জানতে চাইলে রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পরীক্ষার কেন্দ্র সচিব মো. আব্দুল আজিজ

কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার কামরুল ইসলাম ও কেন্দ্রের সচিব এবং জনকল্যান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বুরহানউদ্দিন অনিয়মের কথা স্বীকার করে বলেন, আজকের পর থেকে পরীক্ষা চলমান অবস্থায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খায়রুল আলম ফকিরকে পরীক্ষা কেন্দ্রতে না আসার জন্য বারন করা হয়েছে।

বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনন্দা রায় বলেন, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর ওই শিক্ষককে সাথে সাথে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।

খায়রুল আলম ফকির তার উপর আনিত অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, আমার প্রতিষ্ঠান হিসেবে কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে সহযোগীতা করে আমি চলে এসেছি।

জনপ্রিয়

শিক্ষার্থীদের বড় মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেখাতে হবে: লিটলবার্ড কিন্ডারগার্টেন এ সংবর্ধনা

নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে বিশ্বনাথে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছেলেকে সহযোগীতা করলেন বাবা

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

১০ এপ্রিল থেকে এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা শুরু হয়েছে। কিন্তু হাজী মফিজ আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রতে নিয়মবহির্ভুত কাজ করে যাচ্ছেন একই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খায়রুল আলম ফকির। অবৈধভাবে নিজের প্রভাব খাটিয়ে ও পরীক্ষার দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অজান্তে নিজের বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রতে নিজের ছেলেকে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।

তাঁর ছেলের নাম মাহাতির মোহাম্মদ। যার রেজিস্ট্রেশন নং-২২১৬১২৯১৯৭। রোলনং- ৩১২১৯০। সে সৎপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, দায়িত্ব প্রাপ্তদের তালিকায় তার নাম না থাকলেও নিয়ম বহির্ভুতভাবে নিজের প্রতিষ্ঠান হিসেবে ওই পরীক্ষা কেন্দ্রতে রয়েছে অবাদ বিচরণ। পরীক্ষা শুরুর আগে প্রশ্ন পত্র গণনায়ও তিনি উপস্থিত থাকেন। এনিয়ে অন্য স্কুল শিক্ষকদের মধ্যে চলছে নানা গুঞ্জন। প্রকাশ্যে কিছু বলতে না পারলেও এসকল শিক্ষকদের মধ্যে চরম হাতাশা আর ক্ষোভ বিরাজ করছে।

জানতে চাইলে রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পরীক্ষার কেন্দ্র সচিব মো. আব্দুল আজিজ

কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার কামরুল ইসলাম ও কেন্দ্রের সচিব এবং জনকল্যান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বুরহানউদ্দিন অনিয়মের কথা স্বীকার করে বলেন, আজকের পর থেকে পরীক্ষা চলমান অবস্থায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খায়রুল আলম ফকিরকে পরীক্ষা কেন্দ্রতে না আসার জন্য বারন করা হয়েছে।

বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুনন্দা রায় বলেন, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর ওই শিক্ষককে সাথে সাথে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।

খায়রুল আলম ফকির তার উপর আনিত অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, আমার প্রতিষ্ঠান হিসেবে কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে সহযোগীতা করে আমি চলে এসেছি।