, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সুনামগঞ্জে সিন্ডিকেট করলে ছাড় নয়: বাজারে নেমে কঠোর বার্তা দিলেন জেলা প্রশাসক ও এসপি আধ্যাত্মিক সিলেটে চাঁদাবাজের ঠাঁই নেই: কঠোর বার্তা জেলা প্রশাসকের ট্যুর অপারেটরস এসোসিয়েশন অব সিলেটের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত দক্ষিণ সুরমায় বারি উদ্ভাবিত তৈল ফসলের উৎপাদন কলাকৌশলের উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত সিলেটে ১০ হাজার টাকা দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা? শিশুমৃত্যুতে চাঞ্চল্য সিলেটে বারি উদ্ভাবিত তৈল ফসলের উৎপাদন কলাকৌশলের উপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সিলেটে তুচ্ছ ঘটনার জেরে হামলা, মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এমবিবিএস শিক্ষার্থী ফেরদৌস ইমাদ আর নেই সুনামগঞ্জে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ইউপি কার্যালয় ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি হাইড্রোলিক হর্ণে অতিষ্ঠ নগরবাসী, কঠোর অভিযানে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ

দক্ষিণ সুরমায় বারি উদ্ভাবিত তৈল ফসলের উৎপাদন কলাকৌশলের উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

দক্ষিণ সুরমায় বারি উদ্ভাবিত তৈল ফসলের উৎপাদন কলাকৌশলের উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের আজমতপুরে বারি উদ্ভাবিত তৈল ফসলের উৎপাদন কলাকৌশলের উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, আকবরপুর, মৌলভীবাজার এর
মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মাহমুদুল ইসলাম নজরুলের সভাপতিত্বে ও সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই, সিলেট এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ জুলফিকারের সঞ্চালনায় মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বিএআরআই, গাজীপুর এর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ আতাউর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই, গাজীপুর এর পরিচালক ড. মোঃ মঞ্জুরুল কাদির, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, প্রকল্প পরিচালক,(পার্টনার প্রকল্প, বারি অংগ) ড. জগদীশ চন্দ্র বর্মন, তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই, গাজীপুর এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ জামাল হোসেন। উপস্থিত ছিলেন সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই, সিলেট এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আসাদুজ্জামান, সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই, জৈন্তাপুর এর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ড. এম এইচ এম বোরহান উদ্দিন ভূঁইয়া,সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই, সিলেট এর বৈজ্ঞানিক সহকারী সৈয়দ আবু রায়হান।

মাঠ দিবসে তৈল জাতীয় ফসল চাষাবাদ গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, অল্প সময়ে সরিষা চাষ করে পতিত জমি ব্যবহার করে কৃষক লাভবান হতে পারবেন। দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় পার্টনার প্রকল্প, বারি অংগের আওতায় ২০০ বিঘা জমিতে বারি সরিষা-১৪, বারি সরিষা-১৮ এবং বারি সরিষা-২০ এর চাষ করা হয়েছে।
জালালপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম আজমতপুর এলাকায় কৃষিকাজে সেচের পানির সংকটের কথা উল্লেখ করেন। সেচের পানির সমাধান হলে এলাকায় আরও ব্যাপক হারে তৈল জাতীয় ফসলের চাষ বৃদ্ধি করা সম্ভব।
প্রগতিশীল কৃষক বীরেন্দ্রনাথ, ডি এইচ খান টিপু, মোঃ জাবের মিয়া সহ ৮০ জন কৃষক ও কৃষাণী মাঠ দিবসে উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

সুনামগঞ্জে সিন্ডিকেট করলে ছাড় নয়: বাজারে নেমে কঠোর বার্তা দিলেন জেলা প্রশাসক ও এসপি

দক্ষিণ সুরমায় বারি উদ্ভাবিত তৈল ফসলের উৎপাদন কলাকৌশলের উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

প্রকাশের সময় : ৭ ঘন্টা আগে

দক্ষিণ সুরমায় বারি উদ্ভাবিত তৈল ফসলের উৎপাদন কলাকৌশলের উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের আজমতপুরে বারি উদ্ভাবিত তৈল ফসলের উৎপাদন কলাকৌশলের উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, আকবরপুর, মৌলভীবাজার এর
মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মাহমুদুল ইসলাম নজরুলের সভাপতিত্বে ও সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই, সিলেট এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ জুলফিকারের সঞ্চালনায় মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বিএআরআই, গাজীপুর এর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ আতাউর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই, গাজীপুর এর পরিচালক ড. মোঃ মঞ্জুরুল কাদির, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, প্রকল্প পরিচালক,(পার্টনার প্রকল্প, বারি অংগ) ড. জগদীশ চন্দ্র বর্মন, তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই, গাজীপুর এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ জামাল হোসেন। উপস্থিত ছিলেন সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই, সিলেট এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আসাদুজ্জামান, সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই, জৈন্তাপুর এর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ড. এম এইচ এম বোরহান উদ্দিন ভূঁইয়া,সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বিএআরআই, সিলেট এর বৈজ্ঞানিক সহকারী সৈয়দ আবু রায়হান।

মাঠ দিবসে তৈল জাতীয় ফসল চাষাবাদ গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, অল্প সময়ে সরিষা চাষ করে পতিত জমি ব্যবহার করে কৃষক লাভবান হতে পারবেন। দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় পার্টনার প্রকল্প, বারি অংগের আওতায় ২০০ বিঘা জমিতে বারি সরিষা-১৪, বারি সরিষা-১৮ এবং বারি সরিষা-২০ এর চাষ করা হয়েছে।
জালালপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম আজমতপুর এলাকায় কৃষিকাজে সেচের পানির সংকটের কথা উল্লেখ করেন। সেচের পানির সমাধান হলে এলাকায় আরও ব্যাপক হারে তৈল জাতীয় ফসলের চাষ বৃদ্ধি করা সম্ভব।
প্রগতিশীল কৃষক বীরেন্দ্রনাথ, ডি এইচ খান টিপু, মোঃ জাবের মিয়া সহ ৮০ জন কৃষক ও কৃষাণী মাঠ দিবসে উপস্থিত ছিলেন।