, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সুনামগঞ্জে পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই আজ মঙ্গলবার সিলেটের যেসব এলাকায় থাকবে না বিদ্যুৎ নির্বাচিত ৭০ আসনের ২১.৪ শতাংশে জাল ভোটের তথ্য পেয়েছে টিআইবি সিলেট নগরের বন্দরবাজারে অভিযান: ১৯ হকার আটক, ১৮ ভ্যান জব্দ দক্ষিণ সুরমা এখন যানজটের নগরী: সংস্কার কাজে স্থবির জনজীবন ২২ বছর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন মোতাওল্লী মিছবাহ উদ্দিন: ভার্থখলা পঞ্চায়েত কমিটির পক্ষ থেকে সংবর্ধনা সিলেটে জামায়াতের পক্ষে বক্তব্যের অভিযোগে ২০ বছরের ইমাম চাকরিচ্যুত সুনামগঞ্জে শিশির মনিরের আসনে গণভোটে ‘না’ জয়ী সিলেটে ভাবির সঙ্গে খাবারের স্বাদ নিয়ে ঝগড়া, বড় ভাইয়ের মারধরে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু সুনামগঞ্জে ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক ইমনদোজার ওপর হামলা

দক্ষিণ সুরমা এখন যানজটের নগরী: সংস্কার কাজে স্থবির জনজীবন

সিলেট নগরীর প্রবেশদ্বার নামে খ্যাত দক্ষিণ সুরমায় অসহনীয় যানজট যেন তাদের নিত্যসঙ্গী। প্রতিদিন সন্ধ্যায় থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত এখানকার যানজট যেন একটা নিয়মে পরিনিত হয়েছে। রাস্তা সংস্কারের অজুহাতে পুরান পুলের মুখ, বাবনা পয়েন্ট, স্টেশন রোড, রেলগেইট, কাজীরবাজার ব্রীজের মুখসহ গোটা চন্ডীপুল এলাকা যেন যানজটের জোন হিসেবে গড়ে উঠেছে।

হুমায়ুন রশীদ চত্তর এলাকার ভঙ্গুর রাস্তা, ধীরগতির সিলেট – ফেঞ্চুগঞ্জ রোড,বাইপাস রোডের নির্মান কাজ, বেপরোয়া ও অপরিণামদর্শী চালকদের কারণে দক্ষিণ সুরমায় যানজট ও জনদুর্ভোগ নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

পাশাপাশি ট্রাফিক আইন অমান্য করে যত্রতত্র যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখায় এই এলাকায় প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত তীব্র যানজট দেখা দিচ্ছে। কোনো কোনো দিন এ যানজটের সময় আরও বেড়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো উদাসীন। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীদের মারাত্মক দূর্ভোগ পোহাতে হয়।

ভুক্তভোগীদের মতে,
সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া এ সমস্যা সমাধান নয়, নগরবাসীর মতে, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, নিয়মিত নজরদারি, রুট নির্ধারণে কঠোরতা এবং চালকদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা ছাড়া রেলগেইট ও আশপাশের যানজট কোনোভাবেই কমানো সম্ভব নয়। দিনে দিনে অব্যবস্থাপনার মাত্রা বাড়তে থাকায় শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথটি এখন মানুষের দুর্ভোগের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি ট্টাফিক পুলিশের জনবল বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রেলগেইট এলাকা নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ। প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষ এ রুট দিয়ে সিলেট শহরে প্রবেশ করেন। অধিকাংশ যানবাহন কাজিরবাজার ব্রিজ ব্যবহার করলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গাড়ি স্টেশন রোড ও রেলওয়ে এপ্রোচ রোড দিয়ে শহরে প্রবেশ করে।
পুরাতন স্টেশনে প্রবেশ বা ক্রসিং-এর জন্য পশ্চিম পাশে আসলে রেলগেইট বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ রাখা হয়। সেই সময় উভয় দিকে দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষমাণ যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকে। কিন্তু নিয়মিত ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতি না থাকায় মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য গাড়ি দুই লেন দখল করে বিশৃঙ্খলভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। এ থেকেই সৃষ্টি হয় ভয়াবহ যানজট।দীর্ঘদিনের এ অসহনীয় যানজট নিরসনে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। ফলে এ দীর্ঘ সূত্রিতার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, দিনের পর দিন বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। নিয়মিত ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় চালকদের মধ্যে আইন মানার প্রবণতা কমছে এবং বিশৃঙ্খলা বেড়েই চলছে।

কদমতলীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকেও নিয়মভঙ্গের ঘটনা নিয়মিত দেখা যাচ্ছে। জেলা সড়ক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (BRTA) নির্দেশনা অনুযায়ী সকল আন্তঃজেলা বাসের বাইপাস সড়ক হয়ে চন্ডিপুল পয়েন্ট ব্যবহার করে শহর ত্যাগের কথা। কিন্তু বিপুলসংখ্যক বাস নিয়ম অমান্য করে অপরিসর স্টেশন রোড ব্যবহার করছে। এতে অতি দ্রুতই যানজট তৈরি হচ্ছে, অথচ পরিবহন মালিক সমিতি বা শ্রমিক ইউনিয়নের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই।

দক্ষিণ সুরমার চন্ডীপুল এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মালিক বলেন,দক্ষিণ সুরমার প্রবেশদ্বার চন্ডীপুলে যত্রতত্র গড়ে উঠা সিএনজি স্টেশন ও এলোপাথাড়ি করে রাখা গাড়ীগুলোই এখানকার যানজটের মুল কারন।

এ ব্যাপারে তিনি সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। ষ্টেশন রোডের গাড়ী চালক ওসমান আলী বলেন,বাইপাস রোডের উন্নয়ন কাজের জন্য দক্ষিণ সুরমার সর্বত্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পন্যবাহী গাড়ীগুলো নির্দিষ্ট সময়ের আগে দক্ষিণ সুরমায় প্রবেশের কারনে এ ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি প্রয়োজন।

সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. মইনুল ইসলাম বলেন“নিয়ম অনুযায়ী সব গাড়িকেই বাইপাস সড়ক ব্যবহার করতে হয়। বাইপাস রোডে উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকায় যাত্রীদের সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানোর স্বার্থে স্টেশন রোড ব্যবহার করা হয়। বিনা প্রয়োজনে যাতে এই রুট ব্যবহার না করা হয়, সে বিষয়ে শ্রমিকদের নির্দেশনা দেওয়া হবে।”

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আনিসুর রহমান বলেন, দক্ষিণ সুরমার যানজট নিরসনে ট্রাফিকের পাশাপাশি পুলিশের ছয়টি টিম কাজ করছে। অতি শীঘ্রই যানজট নিরসন হবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম অনীক চৌধুরী এ ব্যাপারে আলাপকালে বলেন, মোগলাবাজার থেকে হুমায়ুন রশীদ চত্তর পর্যন্ত যানজট নিরসনে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে। খুব শীঘ্রই তা দৃশ্যমান হবে বলে তিনি জানান।

এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, দক্ষিণ সুরমার যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশ নিয়মিত কাজ করছে। রেলগেইট ও কাজিরবাজার ব্রিজ সংযোগস্থলে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশকে আরো আন্তরিকতার সাথে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

জনপ্রিয়

সুনামগঞ্জে পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই

দক্ষিণ সুরমা এখন যানজটের নগরী: সংস্কার কাজে স্থবির জনজীবন

প্রকাশের সময় : ৭ ঘন্টা আগে

সিলেট নগরীর প্রবেশদ্বার নামে খ্যাত দক্ষিণ সুরমায় অসহনীয় যানজট যেন তাদের নিত্যসঙ্গী। প্রতিদিন সন্ধ্যায় থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত এখানকার যানজট যেন একটা নিয়মে পরিনিত হয়েছে। রাস্তা সংস্কারের অজুহাতে পুরান পুলের মুখ, বাবনা পয়েন্ট, স্টেশন রোড, রেলগেইট, কাজীরবাজার ব্রীজের মুখসহ গোটা চন্ডীপুল এলাকা যেন যানজটের জোন হিসেবে গড়ে উঠেছে।

হুমায়ুন রশীদ চত্তর এলাকার ভঙ্গুর রাস্তা, ধীরগতির সিলেট – ফেঞ্চুগঞ্জ রোড,বাইপাস রোডের নির্মান কাজ, বেপরোয়া ও অপরিণামদর্শী চালকদের কারণে দক্ষিণ সুরমায় যানজট ও জনদুর্ভোগ নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

পাশাপাশি ট্রাফিক আইন অমান্য করে যত্রতত্র যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখায় এই এলাকায় প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত তীব্র যানজট দেখা দিচ্ছে। কোনো কোনো দিন এ যানজটের সময় আরও বেড়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো উদাসীন। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীদের মারাত্মক দূর্ভোগ পোহাতে হয়।

ভুক্তভোগীদের মতে,
সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া এ সমস্যা সমাধান নয়, নগরবাসীর মতে, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, নিয়মিত নজরদারি, রুট নির্ধারণে কঠোরতা এবং চালকদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা ছাড়া রেলগেইট ও আশপাশের যানজট কোনোভাবেই কমানো সম্ভব নয়। দিনে দিনে অব্যবস্থাপনার মাত্রা বাড়তে থাকায় শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথটি এখন মানুষের দুর্ভোগের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি ট্টাফিক পুলিশের জনবল বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রেলগেইট এলাকা নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ। প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষ এ রুট দিয়ে সিলেট শহরে প্রবেশ করেন। অধিকাংশ যানবাহন কাজিরবাজার ব্রিজ ব্যবহার করলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গাড়ি স্টেশন রোড ও রেলওয়ে এপ্রোচ রোড দিয়ে শহরে প্রবেশ করে।
পুরাতন স্টেশনে প্রবেশ বা ক্রসিং-এর জন্য পশ্চিম পাশে আসলে রেলগেইট বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ রাখা হয়। সেই সময় উভয় দিকে দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষমাণ যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকে। কিন্তু নিয়মিত ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতি না থাকায় মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য গাড়ি দুই লেন দখল করে বিশৃঙ্খলভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। এ থেকেই সৃষ্টি হয় ভয়াবহ যানজট।দীর্ঘদিনের এ অসহনীয় যানজট নিরসনে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। ফলে এ দীর্ঘ সূত্রিতার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, দিনের পর দিন বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। নিয়মিত ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় চালকদের মধ্যে আইন মানার প্রবণতা কমছে এবং বিশৃঙ্খলা বেড়েই চলছে।

কদমতলীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকেও নিয়মভঙ্গের ঘটনা নিয়মিত দেখা যাচ্ছে। জেলা সড়ক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (BRTA) নির্দেশনা অনুযায়ী সকল আন্তঃজেলা বাসের বাইপাস সড়ক হয়ে চন্ডিপুল পয়েন্ট ব্যবহার করে শহর ত্যাগের কথা। কিন্তু বিপুলসংখ্যক বাস নিয়ম অমান্য করে অপরিসর স্টেশন রোড ব্যবহার করছে। এতে অতি দ্রুতই যানজট তৈরি হচ্ছে, অথচ পরিবহন মালিক সমিতি বা শ্রমিক ইউনিয়নের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই।

দক্ষিণ সুরমার চন্ডীপুল এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মালিক বলেন,দক্ষিণ সুরমার প্রবেশদ্বার চন্ডীপুলে যত্রতত্র গড়ে উঠা সিএনজি স্টেশন ও এলোপাথাড়ি করে রাখা গাড়ীগুলোই এখানকার যানজটের মুল কারন।

এ ব্যাপারে তিনি সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। ষ্টেশন রোডের গাড়ী চালক ওসমান আলী বলেন,বাইপাস রোডের উন্নয়ন কাজের জন্য দক্ষিণ সুরমার সর্বত্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পন্যবাহী গাড়ীগুলো নির্দিষ্ট সময়ের আগে দক্ষিণ সুরমায় প্রবেশের কারনে এ ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি প্রয়োজন।

সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. মইনুল ইসলাম বলেন“নিয়ম অনুযায়ী সব গাড়িকেই বাইপাস সড়ক ব্যবহার করতে হয়। বাইপাস রোডে উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকায় যাত্রীদের সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানোর স্বার্থে স্টেশন রোড ব্যবহার করা হয়। বিনা প্রয়োজনে যাতে এই রুট ব্যবহার না করা হয়, সে বিষয়ে শ্রমিকদের নির্দেশনা দেওয়া হবে।”

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আনিসুর রহমান বলেন, দক্ষিণ সুরমার যানজট নিরসনে ট্রাফিকের পাশাপাশি পুলিশের ছয়টি টিম কাজ করছে। অতি শীঘ্রই যানজট নিরসন হবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম অনীক চৌধুরী এ ব্যাপারে আলাপকালে বলেন, মোগলাবাজার থেকে হুমায়ুন রশীদ চত্তর পর্যন্ত যানজট নিরসনে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে। খুব শীঘ্রই তা দৃশ্যমান হবে বলে তিনি জানান।

এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, দক্ষিণ সুরমার যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশ নিয়মিত কাজ করছে। রেলগেইট ও কাজিরবাজার ব্রিজ সংযোগস্থলে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশকে আরো আন্তরিকতার সাথে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।