সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা–ফেঞ্চুগঞ্জ–বালাগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থী দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের মনোনয়নপত্র আপাতত বৈধ ঘোষণা করা হলেও তাকে ঘিরে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। কারণ, এই আসনে বিএনপি কোনো বিকল্প প্রার্থী দেয়নি। ফলে ভবিষ্যতে কোনো আইনি জটিলতায় মালিকের মনোনয়ন বাতিল হলে বড় সংকটে পড়তে পারে দলটি।
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ ওঠায় গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক সরওয়ার আলম আব্দুল মালিকের মনোনয়নপত্র স্থগিত করেন। পরে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিন রোববার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল ও যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়ন গ্রহণ করা হয়।
জেলা প্রশাসক সরওয়ার আলম জানান, আব্দুল মালিককে যেসব ডকুমেন্ট দিতে বলা হয়েছিল, তিনি সেগুলো জমা দিয়েছেন। যাচাই শেষে আপাতত তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়েছে।
তবে জেলা রিটার্নিং অফিসার সতর্ক করে বলেন, পরবর্তীতে যদি প্রমাণিত হয় যে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসে তার নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন গৃহীত হয়নি, সম্পন্ন হয়নি বা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে, তাহলে তার মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। এমনকি নির্বাচনে জয়ী হলেও সেই ফল বাতিল হতে পারে।
মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার পর আব্দুল মালিক সাংবাদিকদের বলেন, তিনি লন্ডনে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন এবং হোম অফিস তা গ্রহণ করেছে। তবে ক্রিসমাস ও নিউ ইয়ারের ছুটির কারণে আনুষ্ঠানিক চিঠি পেতে দেরি হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রমাণ উপস্থাপন করায় তার মনোনয়ন বৈধতা পেয়েছে।
হলফনামা অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী আব্দুল মালিকের হাতে নগদ ও ব্যাংকে জমা অর্থের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। এছাড়া তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির মোট মূল্য প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

নিজস্ব প্রতিবেদক 


















