সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার লালটেক গ্রামে বাবলী বেগম (১৯) নামে এক তরুণী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে জানা গেছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বিকেলে এই ঘটনাটি ঘটে। নিহত বাবলী বেগম লালটেক গ্রামের মখলিছ মিয়ার মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বাবলী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করালেও তিনি সুস্থ হননি। ঘটনার দিন দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে তার বাবা বাজারে যান এবং ভাই কয়েছ আহমদ সিলেট শহরে ছিলেন। বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটের দিকে ভাই কয়েছ আহমদ বাড়িতে ফিরে দেখেন ঘরের দরজা-জানালা ভেতর থেকে বন্ধ। সন্দেহজনক মনে হওয়ায় বারান্দার টিন সরিয়ে ঘরে প্রবেশ করে তিনি দেখতে পান, বাবলী ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় আছেন।
পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
বিশ্বনাথ থানার এসআই স্বপন কুমার ঘোষ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহতের পিতা মখলিছ মিয়া জানান, মেয়ের মানসিক অসুস্থতার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের বিশ্বাস। এ বিষয়ে তাদের পরিবারের কোনো অভিযোগ বা সন্দেহ নেই। আত্মীয়-স্বজনদের সাথে আলোচনা করার কারণে থানায় লিখিত সংবাদ দিতে কিছুটা দেরি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি 


















