সিলেট নগরীর অভিজাত আবাসিক এলাকা হাউজিং এস্টেটে প্রকাশ্যে এক নারীর ব্যাগ ছিনতাইয়ের ঘটনায় চার দিনেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় মহানগর পুলিশের (এসএমপি) এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মুবাশ্বির আলীকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট মেট্রোপলিটন-এর উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
তিনি জানান, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে শাহ মুবাশ্বির আলীকে এয়ারপোর্ট থানার ওসি পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজড করা হয়েছে।
এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি একই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করা হয়। অভিযোগটি সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম এবং এসএমপি কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী-এর কাছে জমা দেন সিলেট-১ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের প্রধান নির্বাচনী এজেন্টের দায়িত্বে থাকা রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
লিখিত অভিযোগে বিএনপি দাবি করে, আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকে এয়ারপোর্ট থানার ওসি বিভিন্নভাবে বিএনপি প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের হয়রানি করছেন, যা স্বাভাবিক প্রচার-প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করছে। এছাড়া, অন্য এক প্রার্থীর স্বার্থ রক্ষায় তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন—এমন ধারণা তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচনে এয়ারপোর্ট থানার আওতাধীন ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, হাউজিং এস্টেটে সিএনজিচালিত অটোরিকশা আটকে এক নারীর ব্যাগ ছিনতাইয়ের ঘটনা নগরজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। ঘটনার পরও জড়িতদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

নিজস্ব প্রতিবেদক 


















