সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাচন অফিসে দীর্ঘদিন ধরে ‘দরজা বন্ধ’ রেখে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অফিসকক্ষের তালা খোলা থাকলেও ভেতর থেকে দরজা বন্ধ। ফলে কর্মকর্তা কক্ষে উপস্থিত থাকলেও সরাসরি প্রবেশ করতে পারছেন না সেবাপ্রার্থীরা। অনেকেই দরজায় কড়া নেড়ে বা অপেক্ষা করে সময় নষ্ট করছেন বলে অভিযোগ করেন।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘সেবা প্রার্থীরা সরাসরি কক্ষে চলে আসেন। কাজের স্বার্থে দরজা বন্ধ রাখতে হয়। তবে প্রয়োজন হলে খুলে দেওয়া হয়।’
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে তৎকালীন নির্বাচন কর্মকর্তা গোলাম সারওয়ার-এর সময় থেকে এ প্রথা শুরু হয়। সে সময় তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও তৎকালীন জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান-এর এক মতবিনিময় সভায় আলোচিত হয়েছিল বলে জানা গেছে।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বদল হলেও ‘দরজা বন্ধ’ রেখে অফিস পরিচালনার সংস্কৃতি বহাল রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে সরকারি সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সেবাপ্রার্থীদের দাবি, সরকারি অফিস জনগণের জন্য উন্মুক্ত থাকার কথা। দরজা বন্ধ রেখে সেবা প্রদান করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়বে এবং সেবাগ্রহণে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা তৈরি হবে।
এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

নিজস্ব প্রতিবেদক 

















