, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেট জেলা পুলিশ নেতৃত্বে পরিবর্তন, এসপি হিসেবে যোগ দিলেন ড. যাবের সাদেক ১৫ দিনে ৪০ খুন: দেশজুড়ে রক্তাক্ত সহিংসতা, শঙ্কায় জননিরাপত্তা বিশ্বনাথ নির্বাচন অফিসে ‘দরজা বন্ধ’ সংস্কৃতি, সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি সিলেটের জকিগঞ্জে রাতের আঁধারে সড়কের ইট উধাও: সরকারি প্রকল্পে লোপাটের অভিযোগ পরিবারকে বলেছিলেন ‘রাতে কথা হবে’, তার আগেই নিভে গেল বড়লেখার সালেহর জীবন দিরাইয়ে তিন দিনব্যাপী ফলিত পুষ্টি প্রশিক্ষণ সমাপ্ত ছয় বছরে সিলেট বিভাগে মায়ের গর্ভেই মারা গেছে ১০ হাজার শিশু সিলেটে শাহজালাল মাজার মসজিদে ১৫তম তারাবিতে অংশ নেবেন নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী সুনামগঞ্জে শেষ হয়নি বাঁধ নির্মাণ কাজ, ঝুঁকিতে হাওরের ধান মৌলভীবাজারে পচা খাসির মাংস বিক্রির অপরাধে দোকান সিলগালা

বিশ্বনাথ নির্বাচন অফিসে ‘দরজা বন্ধ’ সংস্কৃতি, সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাচন অফিসে দীর্ঘদিন ধরে ‘দরজা বন্ধ’ রেখে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অফিসকক্ষের তালা খোলা থাকলেও ভেতর থেকে দরজা বন্ধ। ফলে কর্মকর্তা কক্ষে উপস্থিত থাকলেও সরাসরি প্রবেশ করতে পারছেন না সেবাপ্রার্থীরা। অনেকেই দরজায় কড়া নেড়ে বা অপেক্ষা করে সময় নষ্ট করছেন বলে অভিযোগ করেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘সেবা প্রার্থীরা সরাসরি কক্ষে চলে আসেন। কাজের স্বার্থে দরজা বন্ধ রাখতে হয়। তবে প্রয়োজন হলে খুলে দেওয়া হয়।’

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে তৎকালীন নির্বাচন কর্মকর্তা গোলাম সারওয়ার-এর সময় থেকে এ প্রথা শুরু হয়। সে সময় তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও তৎকালীন জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান-এর এক মতবিনিময় সভায় আলোচিত হয়েছিল বলে জানা গেছে।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বদল হলেও ‘দরজা বন্ধ’ রেখে অফিস পরিচালনার সংস্কৃতি বহাল রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে সরকারি সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সেবাপ্রার্থীদের দাবি, সরকারি অফিস জনগণের জন্য উন্মুক্ত থাকার কথা। দরজা বন্ধ রেখে সেবা প্রদান করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়বে এবং সেবাগ্রহণে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা তৈরি হবে।

এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

জনপ্রিয়

সিলেট জেলা পুলিশ নেতৃত্বে পরিবর্তন, এসপি হিসেবে যোগ দিলেন ড. যাবের সাদেক

বিশ্বনাথ নির্বাচন অফিসে ‘দরজা বন্ধ’ সংস্কৃতি, সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি

প্রকাশের সময় : ৩ ঘন্টা আগে

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাচন অফিসে দীর্ঘদিন ধরে ‘দরজা বন্ধ’ রেখে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অফিসকক্ষের তালা খোলা থাকলেও ভেতর থেকে দরজা বন্ধ। ফলে কর্মকর্তা কক্ষে উপস্থিত থাকলেও সরাসরি প্রবেশ করতে পারছেন না সেবাপ্রার্থীরা। অনেকেই দরজায় কড়া নেড়ে বা অপেক্ষা করে সময় নষ্ট করছেন বলে অভিযোগ করেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘সেবা প্রার্থীরা সরাসরি কক্ষে চলে আসেন। কাজের স্বার্থে দরজা বন্ধ রাখতে হয়। তবে প্রয়োজন হলে খুলে দেওয়া হয়।’

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে তৎকালীন নির্বাচন কর্মকর্তা গোলাম সারওয়ার-এর সময় থেকে এ প্রথা শুরু হয়। সে সময় তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও তৎকালীন জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান-এর এক মতবিনিময় সভায় আলোচিত হয়েছিল বলে জানা গেছে।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বদল হলেও ‘দরজা বন্ধ’ রেখে অফিস পরিচালনার সংস্কৃতি বহাল রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে সরকারি সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সেবাপ্রার্থীদের দাবি, সরকারি অফিস জনগণের জন্য উন্মুক্ত থাকার কথা। দরজা বন্ধ রেখে সেবা প্রদান করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়বে এবং সেবাগ্রহণে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা তৈরি হবে।

এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।