, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে শাহজালাল মাজার মসজিদে ১৫তম তারাবিতে অংশ নেবেন নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী সুনামগঞ্জে শেষ হয়নি বাঁধ নির্মাণ কাজ, ঝুঁকিতে হাওরের ধান মৌলভীবাজারে পচা খাসির মাংস বিক্রির অপরাধে দোকান সিলগালা ওসমানীনগরে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে নকশী বাংলা ফাউন্ডেশনের রামাদান ফুডপ্যাক বিতরণ সিলেটে নজরুল অডিটোরিয়ামের নাম পরিবর্তন, ফিরছে সাইফুর রহমানের নাম সিলেটের জিন্দাবাজারের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন দ্রুত ভেঙে ফেলার নির্দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াবে না ন্যাটো: মহাসচিব ভারতের ভিসা শীঘ্রই চালু হবে: ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনারের আশ্বাস জাল ভিসায় লন্ডন পাঠানোর প্রলোভন: ২৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ, র‍্যাব-৯’র জালে মনির সিলেটে তরুণদের নিরাপদ বিদেশযাত্রা নিশ্চিতে পরামর্শ সভা

প্রবাসীদের অনুদানে বিশ্বনাথে বাসিয়া নদীর উপর চলছে শরিষপুর সেতুর কাজ

সবার সহযোগিতায় এগিয়ে চলছে বিশ্বনাথের বাসিয়া নদীর উপর শরিষপুর সেতুর কাজ। বিশেষ করে প্রবাসীদের আর্থিক সহযোগিতায় সেতুর ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। বাকী রয়েছে সেতুর স্টিলের সিট বসানোর কাজ। সিট বসানোর কাজ শেষ হলেই পূর্ণাঙ্গ রুপ লাভ করবে সেতুটি।

বাসিয়া নদীর উত্তরপাড়ে শরিষপুর গ্রামের ৪৫টি পরিবার বসবাস করেন। দীর্ঘদিন ধরে ওই গ্রামের মানুষ বাশেঁর সাঁকো দিয়ে চলাচল করতেন। সেতু নির্মাণের জন্য গ্রামের লোকজন অনেক জনপ্রতিনিধির দ্বারে দ্বারে ঘুরেও তাদের স্বপ্ন পুরণ করতে পারেননি। কোন জনপ্রতিনিধিই পূরণ করেননি শরিষপুর গ্রামবাসির দাবি। এনিয়ে দু:খের শেষ নেই গ্রামবাসির।
জনপ্রতিনিধিদের আশা ছেড়ে গ্রামের লোকজন নিজেরাই উদ্যোগ নেন সেতু নির্মাণের। এতে সহযোগিতা করছেন প্রবাসীসহ বিত্তবানরা। তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে চলছে সেতুর কাজ।

শনিবার সরেজমিনে শরিষপুর সেতু ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। স্টিল দিয়ে কাজ করানো হয়েছে রেলিংসহ নিছের কাজ। শুধু বাকী রয়েছে স্টিলের সিট বসানোর কাজ। ওই কাজ হলেই সেতুর কাজ সম্পন্ন হবে।
শরিষপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. বাচ্ছু মিয়া বলেন, প্রবাসীদের অনুদানে আমাদের সেতুর কাজ চলছে। শুধু বাকী রয়েছে স্টিলের সিট বসানোর কাজ। কিন্তু আমাদের কাছে আর কোন অনুদানের টাকা না থাকায় সিট বসানোর কাজ করতে পারছিনা। এই কাজ সম্পন্ন করতে আরো ৩ লাখ টাকার প্রয়োজন। তিনি সকল প্রবাসীদের এগিয়ে এসে সেতুর কাজ সম্পন্ন করতে সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি আরো বলেন, প্রবাসীদের সহযোগিতায় সেতুর কাজ এ পর্যন্ত এগিয়ে এসেছে বাকী কাজ টুকু যাতে বন্দ না হয় সেদিকে সদয় দৃষ্টি রাখার বিশেষ অনুরোধ করেন সবার কাছে।
মো. নানু মিয়া বলেন, প্রবাসী ভাই-বোনের সহযোগিতায় শরিষপুর সেতুর কাজ এগিয়ে চলছে। আমরা প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞ। বাকী কাজটুকু সম্পন্ন করতে আপনারা আর্থিকভাবে সহযোগিতা করবেন। আমরা আশাবাদি।

জনপ্রিয়

সিলেটে শাহজালাল মাজার মসজিদে ১৫তম তারাবিতে অংশ নেবেন নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী

প্রবাসীদের অনুদানে বিশ্বনাথে বাসিয়া নদীর উপর চলছে শরিষপুর সেতুর কাজ

প্রকাশের সময় : ০৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সবার সহযোগিতায় এগিয়ে চলছে বিশ্বনাথের বাসিয়া নদীর উপর শরিষপুর সেতুর কাজ। বিশেষ করে প্রবাসীদের আর্থিক সহযোগিতায় সেতুর ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। বাকী রয়েছে সেতুর স্টিলের সিট বসানোর কাজ। সিট বসানোর কাজ শেষ হলেই পূর্ণাঙ্গ রুপ লাভ করবে সেতুটি।

বাসিয়া নদীর উত্তরপাড়ে শরিষপুর গ্রামের ৪৫টি পরিবার বসবাস করেন। দীর্ঘদিন ধরে ওই গ্রামের মানুষ বাশেঁর সাঁকো দিয়ে চলাচল করতেন। সেতু নির্মাণের জন্য গ্রামের লোকজন অনেক জনপ্রতিনিধির দ্বারে দ্বারে ঘুরেও তাদের স্বপ্ন পুরণ করতে পারেননি। কোন জনপ্রতিনিধিই পূরণ করেননি শরিষপুর গ্রামবাসির দাবি। এনিয়ে দু:খের শেষ নেই গ্রামবাসির।
জনপ্রতিনিধিদের আশা ছেড়ে গ্রামের লোকজন নিজেরাই উদ্যোগ নেন সেতু নির্মাণের। এতে সহযোগিতা করছেন প্রবাসীসহ বিত্তবানরা। তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে চলছে সেতুর কাজ।

শনিবার সরেজমিনে শরিষপুর সেতু ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। স্টিল দিয়ে কাজ করানো হয়েছে রেলিংসহ নিছের কাজ। শুধু বাকী রয়েছে স্টিলের সিট বসানোর কাজ। ওই কাজ হলেই সেতুর কাজ সম্পন্ন হবে।
শরিষপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. বাচ্ছু মিয়া বলেন, প্রবাসীদের অনুদানে আমাদের সেতুর কাজ চলছে। শুধু বাকী রয়েছে স্টিলের সিট বসানোর কাজ। কিন্তু আমাদের কাছে আর কোন অনুদানের টাকা না থাকায় সিট বসানোর কাজ করতে পারছিনা। এই কাজ সম্পন্ন করতে আরো ৩ লাখ টাকার প্রয়োজন। তিনি সকল প্রবাসীদের এগিয়ে এসে সেতুর কাজ সম্পন্ন করতে সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি আরো বলেন, প্রবাসীদের সহযোগিতায় সেতুর কাজ এ পর্যন্ত এগিয়ে এসেছে বাকী কাজ টুকু যাতে বন্দ না হয় সেদিকে সদয় দৃষ্টি রাখার বিশেষ অনুরোধ করেন সবার কাছে।
মো. নানু মিয়া বলেন, প্রবাসী ভাই-বোনের সহযোগিতায় শরিষপুর সেতুর কাজ এগিয়ে চলছে। আমরা প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞ। বাকী কাজটুকু সম্পন্ন করতে আপনারা আর্থিকভাবে সহযোগিতা করবেন। আমরা আশাবাদি।