, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে শাহজালাল মাজার মসজিদে ১৫তম তারাবিতে অংশ নেবেন নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী সুনামগঞ্জে শেষ হয়নি বাঁধ নির্মাণ কাজ, ঝুঁকিতে হাওরের ধান মৌলভীবাজারে পচা খাসির মাংস বিক্রির অপরাধে দোকান সিলগালা ওসমানীনগরে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে নকশী বাংলা ফাউন্ডেশনের রামাদান ফুডপ্যাক বিতরণ সিলেটে নজরুল অডিটোরিয়ামের নাম পরিবর্তন, ফিরছে সাইফুর রহমানের নাম সিলেটের জিন্দাবাজারের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন দ্রুত ভেঙে ফেলার নির্দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াবে না ন্যাটো: মহাসচিব ভারতের ভিসা শীঘ্রই চালু হবে: ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনারের আশ্বাস জাল ভিসায় লন্ডন পাঠানোর প্রলোভন: ২৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ, র‍্যাব-৯’র জালে মনির সিলেটে তরুণদের নিরাপদ বিদেশযাত্রা নিশ্চিতে পরামর্শ সভা

সিলেটের আলী আমজদের ঘড়িঘরের পাশ থেকে স্মৃতিফলক সরিয়ে নেওয়া হবে : সারওয়ার আলম

সিলেট নগরের ক্বিন ব্রিজ এলাকায় ঐতিহ্যবাহী ‘আলী আমজদের’ ঘড়িঘরের পাশ থেকে জুলাইয়ের শহীদদের স্মরণে নির্মাণাধীন স্মৃতিফলক সরানোর উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার বিকালে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন সিলেট জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।

তিনি বলেন, নতুন জায়গা নির্ধারণ করে নির্মাণাধীন স্মৃতিফলক ‘স্ট্রিট মেমোরি স্ট্যাম্প’ সরিয়ে নেওয়া হবে।

বিকালে সভায় সিলেটের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং স্মৃতিস্তম্ভটি আলাদা জায়গায় স্থাপনের জন্য যারা স্মারকলিপি দিয়েছিলেন তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় অংশ নেওয়া সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেটের প্রধান পরিচালক শামসুল বাসিত শেরো বলেন, বৈঠকে শুরুতেই জেলা প্রশাসক সবার বক্তব্য শোনেন। পরে ‘আলী আমজদের’ ঘড়িঘর এলাকা থেকে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ সরানোর সিদ্ধান্ত নেন জেলা প্রশাসক। তিনি ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ নির্মাণে নতুন স্থানের জন্য সবার সহযোগিতা চেয়েছেন।

প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো ‘আলী আমজদের’ ঘড়িঘরের পাশে নির্মিত স্থাপনা অপসারণের দাবিতে ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা’, ‘সংক্ষুব্ধ নাগরিক আন্দোলন’, ‘পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্টের’ পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

সিলেট নগরের সুরমা নদীর পাড় আর সারদা হলের মাঝখানে শহরের জিরো পয়েন্ট। তার ঠিক ১০০ মিটারের মধ্যে ‘আলী আমজদের’ ঘড়ির অবস্থান। ক্বিন ব্রিজ পার হয়ে শহরের উত্তর অংশের ঠিক প্রবেশ মুখে এটি দাঁড়িয়ে আছে ১৮৭৪ সাল থেকে।

জুলাইয়ের শহীদদের স্মরণে স্মৃতিফলক নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে সিলেট সিটি করপোরেশন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা, স্মৃতিফলকটি অপসারণে স্মারকলিপি প্রদান ও সংবাদ প্রকাশের পর জুলাই স্মৃতিফলকের নির্মাণকাজ স্থগিত করে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ।

জনপ্রিয়

সিলেটে শাহজালাল মাজার মসজিদে ১৫তম তারাবিতে অংশ নেবেন নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী

সিলেটের আলী আমজদের ঘড়িঘরের পাশ থেকে স্মৃতিফলক সরিয়ে নেওয়া হবে : সারওয়ার আলম

প্রকাশের সময় : ০২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সিলেট নগরের ক্বিন ব্রিজ এলাকায় ঐতিহ্যবাহী ‘আলী আমজদের’ ঘড়িঘরের পাশ থেকে জুলাইয়ের শহীদদের স্মরণে নির্মাণাধীন স্মৃতিফলক সরানোর উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার বিকালে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন সিলেট জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।

তিনি বলেন, নতুন জায়গা নির্ধারণ করে নির্মাণাধীন স্মৃতিফলক ‘স্ট্রিট মেমোরি স্ট্যাম্প’ সরিয়ে নেওয়া হবে।

বিকালে সভায় সিলেটের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং স্মৃতিস্তম্ভটি আলাদা জায়গায় স্থাপনের জন্য যারা স্মারকলিপি দিয়েছিলেন তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় অংশ নেওয়া সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেটের প্রধান পরিচালক শামসুল বাসিত শেরো বলেন, বৈঠকে শুরুতেই জেলা প্রশাসক সবার বক্তব্য শোনেন। পরে ‘আলী আমজদের’ ঘড়িঘর এলাকা থেকে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ সরানোর সিদ্ধান্ত নেন জেলা প্রশাসক। তিনি ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ নির্মাণে নতুন স্থানের জন্য সবার সহযোগিতা চেয়েছেন।

প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো ‘আলী আমজদের’ ঘড়িঘরের পাশে নির্মিত স্থাপনা অপসারণের দাবিতে ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা’, ‘সংক্ষুব্ধ নাগরিক আন্দোলন’, ‘পরিবেশ ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ট্রাস্টের’ পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

সিলেট নগরের সুরমা নদীর পাড় আর সারদা হলের মাঝখানে শহরের জিরো পয়েন্ট। তার ঠিক ১০০ মিটারের মধ্যে ‘আলী আমজদের’ ঘড়ির অবস্থান। ক্বিন ব্রিজ পার হয়ে শহরের উত্তর অংশের ঠিক প্রবেশ মুখে এটি দাঁড়িয়ে আছে ১৮৭৪ সাল থেকে।

জুলাইয়ের শহীদদের স্মরণে স্মৃতিফলক নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে সিলেট সিটি করপোরেশন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা, স্মৃতিফলকটি অপসারণে স্মারকলিপি প্রদান ও সংবাদ প্রকাশের পর জুলাই স্মৃতিফলকের নির্মাণকাজ স্থগিত করে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ।