, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অনুমোদন সম্পন্ন : সিলেট নজরুল অডিটোরিয়ামের নাম পরিবর্তন সিলেটের জিন্দাবাজারের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন দ্রুত ভেঙে ফেলার নির্দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াবে না ন্যাটো: মহাসচিব ভারতের ভিসা শীঘ্রই চালু হবে: ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনারের আশ্বাস জাল ভিসায় লন্ডন পাঠানোর প্রলোভন: ২৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ, র‍্যাব-৯’র জালে মনির সিলেটে তরুণদের নিরাপদ বিদেশযাত্রা নিশ্চিতে পরামর্শ সভা সিলেটে ওয়ালটনের পণ্য কিনে উপহার পেলেন ৮ ক্রেতা মিসাইল আতঙ্কে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীরা, সিলেটে পরিবারে উৎকণ্ঠা হবিগঞ্জে প্রশাসনের সভায় এমপির বউ, ইউএনও–এসি ল্যান্ড বদলি ক্ষমতায় গিয়েই নগ্ন দলীয়করণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান আকাঙ্খার পরিপন্থি : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম

শেষ সময়ে সিলেটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

ঈদের আর মাত্র একদিন বাকি। এদিকে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে পশুর হাটও। আবহাওয়াজনিত কারণে গত কয়েকদিন খুব একটা জমজমাট অবস্থা দেখা না গেলেও আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে দর-কষাকষিও।

বাজারে দেশি গরুর পাশাপাশি রয়েছে ভারতীয় গরুও। এছাড়া ছোট, মাঝারি ও বড় আকৃতির ছাগলের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। তবে বাজারে অধিক গরুর সরবরাহের ফলে গরুর দাম কিছুটা নেমেছে বলে জনসাধারণের মুখে শোনা গেছে। তাছাড়া গরু কেনার আগে একাধিক হাট ঘুরে, দর-কষাকষি করে ক্রেতারা কিনছেন পছন্দের পশু।

স্থানীয় অনেক বাজার ঘুরে দেখা যায়, সারি করে রাখা গরুগুলোর সামনে ভিড় করছেন ক্রেতারা। কেউ গরুর দাঁত দেখে দাম ঠিক করছেন, কেউবা হাত বুলিয়ে গরুর স্বাস্থ্য যাচাই করছেন। এদিকে বিক্রেতারা বলছেন, গতকালের তুলনায় আজ ক্রেতার সংখ্যা বেশি।

নগরীর কাজির বাজারে ৪টি গরু বিক্রি করতে আসেন সালাম মিয়া। তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে গরু এসেছে। সিলেট জেলা ছাড়াও অন্যান্য জেলা থেকে গরু এসেছে। ছোট, বড়, মাঝারি আকারের গরু বাজারে থাকলেও বড় গরুর ক্রেতা তুলনামূলক কম।

বাজারে ছোট গরু ৬৫–৭৫ হাজার, মাঝারি ৮০–৯৫ হাজার এবং বড় গরু ১ লাখ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গরু ক্রেতা আব্দুল কুদ্দুস জানান, বাজারে যে বাজেট নিয়ে এসেছি, সেই বাজেটে মনমতো গরু পাচ্ছি না। বড় গরুর দাম বেশি, কিন্তু আমার বাজেট ৮০ হাজারের ভেতরে। তবে বাজারে ভালো গরু এসেছে এবং গত দুদিন দাম আরও বেশি ছিল।

ক্রেতা হানিফ মিয়া বলেন, বেশি আগে গরু কিনিনি—রাখতে অসুবিধা। তবে আগে কিনলে হয়তো দাম কম হতো, এখন দেখছি দাম বেশি। বেশি হলেও কি আর করা, কিনতেই হবে তো। তবে আজকের আবহাওয়া মোটামুটি ভালো, তাই ক্রেতাও একটু বেশি।

ব্যবসায়ীরা জানান, বৃষ্টির কারণে শুরুতে ক্রেতার সংখ্যা কম ছিল। তবে এখন হাটে ভিড় বাড়ছে। অনেকেই শেষ মুহূর্তে পশু কিনতে আসেন, কারণ আগে কিনলে রাখার জায়গা, খাবার ও পরিচর্যার ঝামেলা থাকে। আশা করছি ঈদের আগের দিন (শুক্রবার) হাটের ভিড় আরও বাড়বে।

জনপ্রিয়

অনুমোদন সম্পন্ন : সিলেট নজরুল অডিটোরিয়ামের নাম পরিবর্তন

শেষ সময়ে সিলেটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

প্রকাশের সময় : ০১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫

ঈদের আর মাত্র একদিন বাকি। এদিকে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে পশুর হাটও। আবহাওয়াজনিত কারণে গত কয়েকদিন খুব একটা জমজমাট অবস্থা দেখা না গেলেও আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে দর-কষাকষিও।

বাজারে দেশি গরুর পাশাপাশি রয়েছে ভারতীয় গরুও। এছাড়া ছোট, মাঝারি ও বড় আকৃতির ছাগলের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। তবে বাজারে অধিক গরুর সরবরাহের ফলে গরুর দাম কিছুটা নেমেছে বলে জনসাধারণের মুখে শোনা গেছে। তাছাড়া গরু কেনার আগে একাধিক হাট ঘুরে, দর-কষাকষি করে ক্রেতারা কিনছেন পছন্দের পশু।

স্থানীয় অনেক বাজার ঘুরে দেখা যায়, সারি করে রাখা গরুগুলোর সামনে ভিড় করছেন ক্রেতারা। কেউ গরুর দাঁত দেখে দাম ঠিক করছেন, কেউবা হাত বুলিয়ে গরুর স্বাস্থ্য যাচাই করছেন। এদিকে বিক্রেতারা বলছেন, গতকালের তুলনায় আজ ক্রেতার সংখ্যা বেশি।

নগরীর কাজির বাজারে ৪টি গরু বিক্রি করতে আসেন সালাম মিয়া। তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে গরু এসেছে। সিলেট জেলা ছাড়াও অন্যান্য জেলা থেকে গরু এসেছে। ছোট, বড়, মাঝারি আকারের গরু বাজারে থাকলেও বড় গরুর ক্রেতা তুলনামূলক কম।

বাজারে ছোট গরু ৬৫–৭৫ হাজার, মাঝারি ৮০–৯৫ হাজার এবং বড় গরু ১ লাখ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গরু ক্রেতা আব্দুল কুদ্দুস জানান, বাজারে যে বাজেট নিয়ে এসেছি, সেই বাজেটে মনমতো গরু পাচ্ছি না। বড় গরুর দাম বেশি, কিন্তু আমার বাজেট ৮০ হাজারের ভেতরে। তবে বাজারে ভালো গরু এসেছে এবং গত দুদিন দাম আরও বেশি ছিল।

ক্রেতা হানিফ মিয়া বলেন, বেশি আগে গরু কিনিনি—রাখতে অসুবিধা। তবে আগে কিনলে হয়তো দাম কম হতো, এখন দেখছি দাম বেশি। বেশি হলেও কি আর করা, কিনতেই হবে তো। তবে আজকের আবহাওয়া মোটামুটি ভালো, তাই ক্রেতাও একটু বেশি।

ব্যবসায়ীরা জানান, বৃষ্টির কারণে শুরুতে ক্রেতার সংখ্যা কম ছিল। তবে এখন হাটে ভিড় বাড়ছে। অনেকেই শেষ মুহূর্তে পশু কিনতে আসেন, কারণ আগে কিনলে রাখার জায়গা, খাবার ও পরিচর্যার ঝামেলা থাকে। আশা করছি ঈদের আগের দিন (শুক্রবার) হাটের ভিড় আরও বাড়বে।