, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে নজরুল অডিটোরিয়ামের নাম পরিবর্তন, ফিরছে সাইফুর রহমানের নাম সিলেটের জিন্দাবাজারের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন দ্রুত ভেঙে ফেলার নির্দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াবে না ন্যাটো: মহাসচিব ভারতের ভিসা শীঘ্রই চালু হবে: ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনারের আশ্বাস জাল ভিসায় লন্ডন পাঠানোর প্রলোভন: ২৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ, র‍্যাব-৯’র জালে মনির সিলেটে তরুণদের নিরাপদ বিদেশযাত্রা নিশ্চিতে পরামর্শ সভা সিলেটে ওয়ালটনের পণ্য কিনে উপহার পেলেন ৮ ক্রেতা মিসাইল আতঙ্কে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীরা, সিলেটে পরিবারে উৎকণ্ঠা হবিগঞ্জে প্রশাসনের সভায় এমপির বউ, ইউএনও–এসি ল্যান্ড বদলি ক্ষমতায় গিয়েই নগ্ন দলীয়করণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান আকাঙ্খার পরিপন্থি : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম

সিলেটে ছিনতাই বন্ধ হোক, কিন্তু সাধারণ মানুষের পকেট কেটে নয়

পুলিশের কাজ আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা। অথচ সিলেট মহানগর পুলিশ এবার ছিনতাই ও অপরাধ দমনে ব্যর্থ হয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে নাগরিক মহলে।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে সিলেট মহানগর এলাকায় সিএনজি চালিত থ্রি-হুইলার এবং প্যাডেলচালিত রিকশার ভাড়া নির্ধারণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী ঘোষণা দেন—সিএনজির সামনে ও পেছনে গ্রিল লাগানো বাধ্যতামূলক করা হবে এবং প্রতিটি সিএনজিতে সর্বোচ্চ তিনজন যাত্রী বহন করা যাবে।

কিন্তু এ সিদ্ধান্তে সাধারণ যাত্রীদের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, সিএনজি এখন ৫ সিটের ভাড়া নিয়ে ৩ সিটের যাত্রী তুলবে। অর্থাৎ কম যাত্রী নিয়ে ডাবল ভাড়া আদায় করবে চালকরা। এতে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ মানুষ।

নগরবাসীর অভিযোগ, ছিনতাই-চুরি-চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে না পেরে পুলিশ বরং জনগণের ওপর বাড়তি চাপ দিচ্ছে। নতুন এই নির্দেশনায় সিএনজি ভাড়া বাড়লেও পুলিশের পক্ষ থেকে সেই ভাড়া নিয়ন্ত্রণে কোনো তৎপরতা দেখা যাবে না বলেই আশঙ্কা করছেন অনেকে।

নাগরিক সমাজ বলছে—“ছিনতাই বন্ধ হোক, কিন্তু সাধারণ মানুষের পকেট কেটে নয়।”

জনপ্রিয়

সিলেটে নজরুল অডিটোরিয়ামের নাম পরিবর্তন, ফিরছে সাইফুর রহমানের নাম

সিলেটে ছিনতাই বন্ধ হোক, কিন্তু সাধারণ মানুষের পকেট কেটে নয়

প্রকাশের সময় : ০১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

পুলিশের কাজ আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করা। অথচ সিলেট মহানগর পুলিশ এবার ছিনতাই ও অপরাধ দমনে ব্যর্থ হয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে নাগরিক মহলে।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে সিলেট মহানগর এলাকায় সিএনজি চালিত থ্রি-হুইলার এবং প্যাডেলচালিত রিকশার ভাড়া নির্ধারণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী ঘোষণা দেন—সিএনজির সামনে ও পেছনে গ্রিল লাগানো বাধ্যতামূলক করা হবে এবং প্রতিটি সিএনজিতে সর্বোচ্চ তিনজন যাত্রী বহন করা যাবে।

কিন্তু এ সিদ্ধান্তে সাধারণ যাত্রীদের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, সিএনজি এখন ৫ সিটের ভাড়া নিয়ে ৩ সিটের যাত্রী তুলবে। অর্থাৎ কম যাত্রী নিয়ে ডাবল ভাড়া আদায় করবে চালকরা। এতে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ মানুষ।

নগরবাসীর অভিযোগ, ছিনতাই-চুরি-চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে না পেরে পুলিশ বরং জনগণের ওপর বাড়তি চাপ দিচ্ছে। নতুন এই নির্দেশনায় সিএনজি ভাড়া বাড়লেও পুলিশের পক্ষ থেকে সেই ভাড়া নিয়ন্ত্রণে কোনো তৎপরতা দেখা যাবে না বলেই আশঙ্কা করছেন অনেকে।

নাগরিক সমাজ বলছে—“ছিনতাই বন্ধ হোক, কিন্তু সাধারণ মানুষের পকেট কেটে নয়।”