, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ওসমানীনগরে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে নকশী বাংলা ফাউন্ডেশনের রামাদান ফুডপ্যাক বিতরণ সিলেটে নজরুল অডিটোরিয়ামের নাম পরিবর্তন, ফিরছে সাইফুর রহমানের নাম সিলেটের জিন্দাবাজারের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন দ্রুত ভেঙে ফেলার নির্দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াবে না ন্যাটো: মহাসচিব ভারতের ভিসা শীঘ্রই চালু হবে: ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনারের আশ্বাস জাল ভিসায় লন্ডন পাঠানোর প্রলোভন: ২৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ, র‍্যাব-৯’র জালে মনির সিলেটে তরুণদের নিরাপদ বিদেশযাত্রা নিশ্চিতে পরামর্শ সভা সিলেটে ওয়ালটনের পণ্য কিনে উপহার পেলেন ৮ ক্রেতা মিসাইল আতঙ্কে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীরা, সিলেটে পরিবারে উৎকণ্ঠা হবিগঞ্জে প্রশাসনের সভায় এমপির বউ, ইউএনও–এসি ল্যান্ড বদলি

ছবি তুলতে যাওয়ায় সিলেট আদালতে সাংবাদিকদের ‍উপর আলফু চেয়ারম্যানের হামলা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ১২৯ পড়া হয়েছে

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের সাদা পাথর লুটপাট মামলার অন্যতম আসামি ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ আলফু ও তার ছেলে আদালত প্রাঙ্গণে সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট আদালত প্রাঙ্গণে এই ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, আজ সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম আদালতে আলফু মিয়ার রিমান্ড শুনানি হয়। খবর সংগ্রহের জন্য সেখানে উপস্থিত হন সাংবাদিকরা। শুনানি শেষে আফলুকে প্রিজন ভ্যেনে নিয়ে যাচ্ছিলো পুলিশ। এসময় সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে আলফু ও তার ছেলে হামলা চালান। এতে ইমজা নিউজের সাংবাদিক নয়ন সরকার এবং বৃত্ত আহত হন। আলফুর ছেলে তাদের মোবাইফ ফোন কেড়ে নেয়।

জানা গেছে, শুনানি চলার সময় হাতকড়া পরা অবস্থায় আলফু মিয়া পুলিশের সামনেই সাংবাদিক নয়ন সরকারের হাতে থাকা মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। একইসঙ্গে আলফুর ছেলে সাংবাদিক বৃত্তের ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে শারীরিকভাবে আঘাত করে। নয়নের সহকর্মীরা বাধা দিতে গেলে তাদের দিকেও হামলার চেষ্টা হয়।

সাংবাদিক নয়ন সরকার বলেন, “আমি নিয়মিতভাবে আদালত কাভার করছিলাম। হঠাৎ আলফু মিয়ার ছেলে আমার ওপর হামলা চালায়। এরপর হাতকড়া পরা অবস্থায় আলফু নিজেই আমার মোবাইলটি নিয়ে নেয়। ঘটনাটি পুলিশের সামনেই ঘটে।”

ঘটনার পর নয়ন সরকার বিষয়টি সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানালে তারা তদন্তের আশ্বাস দেন।

ইমজা নিউজের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, আদালতের মতো নিরাপত্তাবেষ্টিত স্থানে সাংবাদিকের ওপর এমন হামলা চরম উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। তারা অবিলম্বে তদন্ত করে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জনপ্রিয়

ওসমানীনগরে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে নকশী বাংলা ফাউন্ডেশনের রামাদান ফুডপ্যাক বিতরণ

ছবি তুলতে যাওয়ায় সিলেট আদালতে সাংবাদিকদের ‍উপর আলফু চেয়ারম্যানের হামলা

প্রকাশের সময় : ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের সাদা পাথর লুটপাট মামলার অন্যতম আসামি ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ আলফু ও তার ছেলে আদালত প্রাঙ্গণে সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট আদালত প্রাঙ্গণে এই ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, আজ সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম আদালতে আলফু মিয়ার রিমান্ড শুনানি হয়। খবর সংগ্রহের জন্য সেখানে উপস্থিত হন সাংবাদিকরা। শুনানি শেষে আফলুকে প্রিজন ভ্যেনে নিয়ে যাচ্ছিলো পুলিশ। এসময় সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে আলফু ও তার ছেলে হামলা চালান। এতে ইমজা নিউজের সাংবাদিক নয়ন সরকার এবং বৃত্ত আহত হন। আলফুর ছেলে তাদের মোবাইফ ফোন কেড়ে নেয়।

জানা গেছে, শুনানি চলার সময় হাতকড়া পরা অবস্থায় আলফু মিয়া পুলিশের সামনেই সাংবাদিক নয়ন সরকারের হাতে থাকা মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। একইসঙ্গে আলফুর ছেলে সাংবাদিক বৃত্তের ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে শারীরিকভাবে আঘাত করে। নয়নের সহকর্মীরা বাধা দিতে গেলে তাদের দিকেও হামলার চেষ্টা হয়।

সাংবাদিক নয়ন সরকার বলেন, “আমি নিয়মিতভাবে আদালত কাভার করছিলাম। হঠাৎ আলফু মিয়ার ছেলে আমার ওপর হামলা চালায়। এরপর হাতকড়া পরা অবস্থায় আলফু নিজেই আমার মোবাইলটি নিয়ে নেয়। ঘটনাটি পুলিশের সামনেই ঘটে।”

ঘটনার পর নয়ন সরকার বিষয়টি সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানালে তারা তদন্তের আশ্বাস দেন।

ইমজা নিউজের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, আদালতের মতো নিরাপত্তাবেষ্টিত স্থানে সাংবাদিকের ওপর এমন হামলা চরম উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। তারা অবিলম্বে তদন্ত করে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”