, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াবে না ন্যাটো: মহাসচিব ভারতের ভিসা শীঘ্রই চালু হবে: ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনারের আশ্বাস জাল ভিসায় লন্ডন পাঠানোর প্রলোভন: ২৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ, র‍্যাব-৯’র জালে মনির সিলেটে তরুণদের নিরাপদ বিদেশযাত্রা নিশ্চিতে পরামর্শ সভা সিলেটে ওয়ালটনের পণ্য কিনে উপহার পেলেন ৮ ক্রেতা মিসাইল আতঙ্কে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীরা, সিলেটে পরিবারে উৎকণ্ঠা হবিগঞ্জে প্রশাসনের সভায় এমপির বউ, ইউএনও–এসি ল্যান্ড বদলি ক্ষমতায় গিয়েই নগ্ন দলীয়করণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান আকাঙ্খার পরিপন্থি : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম সিলেটের জি কে গউছ জাতীয় সংসদের হুইপ মনোনীত এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর আগমনে উন্নয়নের প্রত্যাশা এম এ মালিকের

কালচারাল ফ্যাসিস্টদের দায়মুক্তি দিলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না : শাবিতে ভিপি সাদিক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, যারা শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে সহযোগিতা করছে সেসব কালচারাল ফ্যাসিস্টদের দায়মুক্তি দিলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না। নতুন বাংলাদেশে কালচারাল ফ্যাসিস্টদের শত্রু হিসেবে শনাক্ত করে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘জুলাই স্মৃতি : শাবিপ্রবি’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন সাদিক কায়েম।

ডাকসু ভিপি বলেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদকে শক্তিশালী করতে কাজ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কিছু কুলাঙ্গার শিক্ষক। কালচারাল ফ্যাসিস্টরা তাকে সহযোগিতা মাধ্যমে বিচারিক হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দিয়েছে। আমরা বারবার শত্রু-মিত্র চিনতে ভুল করে থাকি। যারা বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ কায়েমে সহযোগিতা করেছে, পিলখানা হত্যাকাণ্ড বৈধতা দিয়েছে, অবৈধ নির্বাচনগুলোকে বৈধতা দিয়েছে, প্রতিটা ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের বৈধতা দিয়েছে, সেই কালচারাল ফ্যাসিস্টদেরকে আমাদের শত্রু হিসেবে শনাক্ত করতে হবে। স্বাধীন বাংলাদেশে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

কালচারাল ফ্যাসিস্ট মোকাবিলায় ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরসহ বাংলাদেশপন্থি সবাইকে এক হতে হবে উল্লেখ করে সাদিক কায়েম বলেন, নতুন বাংলাদেশে আমরা যদি তাদের সুযোগ দিই তারা ফের ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠবে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের এক বছর পেরুতেই এটিকে নাই করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এটা শুধুই একটা ক্ষমতা পরিবর্তনের আন্দোলন। আমরা বলতে চাই, শুধু ক্ষমতার পালাবদলের জন্য আমাদের ২ হাজার শহীদরা জীবন দেননি, ৪০ হাজার ভাই বোনেরা শুধু ক্ষমতার পালাবদলের জন্য পঙ্গুত্ববরণ করেননি, যাদের অধিকাংশ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ব্যক্তিগত বা দলীয় কারণে আমরা যদি কালচারাল ফ্যাসিস্টদের দায়মুক্তি দিই তাহলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না, নতুন প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবেন না, শহীদরা আমাদের ক্ষমা করবেন না। সুতরাং জুলাইকে আমাদের ধারণ করতে হবে। পরবর্তী প্রজন্মের কাছে জুলাইকে তুলে ধরতে, এর ইতিহাস সংরক্ষণ করতে হবে।

জনপ্রিয়

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াবে না ন্যাটো: মহাসচিব

কালচারাল ফ্যাসিস্টদের দায়মুক্তি দিলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না : শাবিতে ভিপি সাদিক

প্রকাশের সময় : ১০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, যারা শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে সহযোগিতা করছে সেসব কালচারাল ফ্যাসিস্টদের দায়মুক্তি দিলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না। নতুন বাংলাদেশে কালচারাল ফ্যাসিস্টদের শত্রু হিসেবে শনাক্ত করে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘জুলাই স্মৃতি : শাবিপ্রবি’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন সাদিক কায়েম।

ডাকসু ভিপি বলেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদকে শক্তিশালী করতে কাজ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কিছু কুলাঙ্গার শিক্ষক। কালচারাল ফ্যাসিস্টরা তাকে সহযোগিতা মাধ্যমে বিচারিক হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দিয়েছে। আমরা বারবার শত্রু-মিত্র চিনতে ভুল করে থাকি। যারা বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ কায়েমে সহযোগিতা করেছে, পিলখানা হত্যাকাণ্ড বৈধতা দিয়েছে, অবৈধ নির্বাচনগুলোকে বৈধতা দিয়েছে, প্রতিটা ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের বৈধতা দিয়েছে, সেই কালচারাল ফ্যাসিস্টদেরকে আমাদের শত্রু হিসেবে শনাক্ত করতে হবে। স্বাধীন বাংলাদেশে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

কালচারাল ফ্যাসিস্ট মোকাবিলায় ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরসহ বাংলাদেশপন্থি সবাইকে এক হতে হবে উল্লেখ করে সাদিক কায়েম বলেন, নতুন বাংলাদেশে আমরা যদি তাদের সুযোগ দিই তারা ফের ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠবে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের এক বছর পেরুতেই এটিকে নাই করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এটা শুধুই একটা ক্ষমতা পরিবর্তনের আন্দোলন। আমরা বলতে চাই, শুধু ক্ষমতার পালাবদলের জন্য আমাদের ২ হাজার শহীদরা জীবন দেননি, ৪০ হাজার ভাই বোনেরা শুধু ক্ষমতার পালাবদলের জন্য পঙ্গুত্ববরণ করেননি, যাদের অধিকাংশ স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ব্যক্তিগত বা দলীয় কারণে আমরা যদি কালচারাল ফ্যাসিস্টদের দায়মুক্তি দিই তাহলে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না, নতুন প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবেন না, শহীদরা আমাদের ক্ষমা করবেন না। সুতরাং জুলাইকে আমাদের ধারণ করতে হবে। পরবর্তী প্রজন্মের কাছে জুলাইকে তুলে ধরতে, এর ইতিহাস সংরক্ষণ করতে হবে।