সমগ্র সিলেট জেলার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সকল বিষয়ে জিপিএ–৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে সিলেট জেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার সকালে সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিঃ এর সহযোগিতায় আয়োজিত
কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মোঃ রেজা-উন-নবী।
তিনি তার বক্তৃতায় বলেন, রাষ্ট্র, সমাজ ও দেশের সর্বপর্যায়ের নেতৃত্বে মেধাবীদের এগিয়ে আসতে হবে।আপনি মেধাবী ছাত্র ঘরে বসে থাকবেন,আর আপনাকে পরিচালনা করবে অমেধাবীরা,তা হতে পারে না। সমাজের সকল জায়গা থেকে দুর্বৃত্তদের অপসারণ করতে হবে।তিনি বলেন, বাংলাদেশে কোন দুর্বৃত্তদের জায়গা হবে না।নতুন বাংলাদেশ দুর্বৃত্তায়নমুক্ত করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো: আনোয়ার হোসেন চৌধুরী ,সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক, রাজস্ব,পরিচালক -স্থানীয় সরকার) দেবজিৎ সিংহ, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লি: এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো: আব্দুল জলিল প্রামানিক,বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর হায়াতুল ইসলাম আকঞ্জী,এম সি কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর গোলাম আহমদ খান ,সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর ভুবনজয় আচার্য, জেলা শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ, বারহাল আলিম মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা নেছার আহমদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুদ রানা। জেলা কালচারাল অফিসার জ্যোতি সিনহার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, শাহজালাল জামেয়া ইসলামীয়া পাঠানটুলা কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা লুৎফর রহমান হুমায়দী,সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলজার আহমদ হেলাল, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো: ফজলে রাব্বানী চৌধুরী, সিলেটের এনডিসি কিশোর কুমার পাল,জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হোসাইন সজীব, শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ।শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন তাসনিয়া এবং অভিভাবকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন ডা: রেজওয়ানা চৌধুরী। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবকমণ্ডলী উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা যদি কোনো স্থাপনা,ভবন বা রাস্তা তৈরি করি তা বড়জোর দশ বা পনেরো বছর সেবা দিবে।কিন্তু যদি কিছু মানুষ তৈরি করতে পারি, কৃতি শিক্ষার্থী তৈরি করি তাহলে সেই মানুষগুলো এই অঞ্চলে পঞ্চাশ থেকে একশো বছর আলো দিবে।সেই লক্ষ্যে এই প্রোগ্রাম মুলত কৃতি শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতেই আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন,এটি বহমান নদীর মতো অব্যাহত থাকবে।সভায় জেলা পরিষদের প্রশাসক ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসনের এই কর্মসূচি চলমান রাখতে আগামী পাঁচ বছর জেলা পরিষদ পৃষ্ঠপোষকতা করে যাবে বলে ঘোষণা দেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক 















