, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াবে না ন্যাটো: মহাসচিব ভারতের ভিসা শীঘ্রই চালু হবে: ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনারের আশ্বাস জাল ভিসায় লন্ডন পাঠানোর প্রলোভন: ২৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ, র‍্যাব-৯’র জালে মনির সিলেটে তরুণদের নিরাপদ বিদেশযাত্রা নিশ্চিতে পরামর্শ সভা সিলেটে ওয়ালটনের পণ্য কিনে উপহার পেলেন ৮ ক্রেতা মিসাইল আতঙ্কে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীরা, সিলেটে পরিবারে উৎকণ্ঠা হবিগঞ্জে প্রশাসনের সভায় এমপির বউ, ইউএনও–এসি ল্যান্ড বদলি ক্ষমতায় গিয়েই নগ্ন দলীয়করণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান আকাঙ্খার পরিপন্থি : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম সিলেটের জি কে গউছ জাতীয় সংসদের হুইপ মনোনীত এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর আগমনে উন্নয়নের প্রত্যাশা এম এ মালিকের

সিলেট-৪ আসনের প্রস্তাবে ‘না’, বিএনপির স্থায়ী কমিটির তলবে ঢাকায় আরিফ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসন থেকে মনোনয়ন না পাননি হেভিওয়েট প্রার্থী সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) সাবেক মেয়র ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী। অথচ দল থেকে গ্রীন সিগন্যাল পেয়েছেন বলে প্রচার-প্রচারণাও চালিয়ে ছিলেন তিনি। মর্যাদার সিলেট-১ আসন থেকে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ায় আরিফ অনেকটাই মন ক্ষুণ্ন হয়েছেন।

একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আরিফুল হক চৌধুরীকে জরুরি আলোচনার জন্য ঢাকায় ডাকা হয়েছে। দলের দায়িত্বশীল নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সকালে বিমানের একটি ফ্লাইটে করে ঢাকায় গিয়েছেন বলে তিনি।

সোমবার (৩ নভেম্বর) সিলেট বিভাগের ১৯ সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৪টিতে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সিলেট-১ আসনে আরিফের মনোনয়ন না পাওয়ার বিষয়টি সবচাইতে বেশি আলোচিত হচ্ছে।

সূত্র জানায়, আরিফ সিলেট-১ (সিলেট সিটি করপোরেশন ও সদর) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। এ আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি ২০১৮ সালেও এ আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তার বাবা মরহুম খন্দকার এম এ মালিক এ আসনের সাবেক এমপি ছিলেন।
এদিকে বিএনপির প্রার্থিতা ঘোষণা করার পর পরই নগরীর কুমারপাড়াস্থ সাবেক মেয়র আরিফের বাসায় জমায়েত হন দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন। এসময় তারা তাকে প্রস্তাব করেন সিলেট-৪ আসনে এখন যেহেতু দল এখনও কোন প্রার্থিতা ঘোষণা করেনি যার জন্য এই আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য। সেই প্রস্তাবে আরিফ সাফ না জানিয়ে দিলেন।

এ ব্যাপারে আরিফুল হক চৌধুরীকে একাধিকবার যোগাযোগ করলে তিনি ফোন ধরেননি।

এক শীর্ষস্থানীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দল চায় আরিফ অন্য কোনো আসন থেকে প্রার্থী হোন, কিন্তু তিনি তাতে রাজি নন। তিনি বলেছেন, ‘দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত, আমি তা মেনে নিচ্ছি।

জনপ্রিয়

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াবে না ন্যাটো: মহাসচিব

সিলেট-৪ আসনের প্রস্তাবে ‘না’, বিএনপির স্থায়ী কমিটির তলবে ঢাকায় আরিফ

প্রকাশের সময় : ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসন থেকে মনোনয়ন না পাননি হেভিওয়েট প্রার্থী সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) সাবেক মেয়র ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী। অথচ দল থেকে গ্রীন সিগন্যাল পেয়েছেন বলে প্রচার-প্রচারণাও চালিয়ে ছিলেন তিনি। মর্যাদার সিলেট-১ আসন থেকে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ায় আরিফ অনেকটাই মন ক্ষুণ্ন হয়েছেন।

একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আরিফুল হক চৌধুরীকে জরুরি আলোচনার জন্য ঢাকায় ডাকা হয়েছে। দলের দায়িত্বশীল নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সকালে বিমানের একটি ফ্লাইটে করে ঢাকায় গিয়েছেন বলে তিনি।

সোমবার (৩ নভেম্বর) সিলেট বিভাগের ১৯ সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৪টিতে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সিলেট-১ আসনে আরিফের মনোনয়ন না পাওয়ার বিষয়টি সবচাইতে বেশি আলোচিত হচ্ছে।

সূত্র জানায়, আরিফ সিলেট-১ (সিলেট সিটি করপোরেশন ও সদর) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। এ আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি ২০১৮ সালেও এ আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তার বাবা মরহুম খন্দকার এম এ মালিক এ আসনের সাবেক এমপি ছিলেন।
এদিকে বিএনপির প্রার্থিতা ঘোষণা করার পর পরই নগরীর কুমারপাড়াস্থ সাবেক মেয়র আরিফের বাসায় জমায়েত হন দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন। এসময় তারা তাকে প্রস্তাব করেন সিলেট-৪ আসনে এখন যেহেতু দল এখনও কোন প্রার্থিতা ঘোষণা করেনি যার জন্য এই আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য। সেই প্রস্তাবে আরিফ সাফ না জানিয়ে দিলেন।

এ ব্যাপারে আরিফুল হক চৌধুরীকে একাধিকবার যোগাযোগ করলে তিনি ফোন ধরেননি।

এক শীর্ষস্থানীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দল চায় আরিফ অন্য কোনো আসন থেকে প্রার্থী হোন, কিন্তু তিনি তাতে রাজি নন। তিনি বলেছেন, ‘দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত, আমি তা মেনে নিচ্ছি।