, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভারতের ভিসা শীঘ্রই চালু হবে: ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনারের আশ্বাস জাল ভিসায় লন্ডন পাঠানোর প্রলোভন: ২৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ, র‍্যাব-৯’র জালে মনির সিলেটে তরুণদের নিরাপদ বিদেশযাত্রা নিশ্চিতে পরামর্শ সভা সিলেটে ওয়ালটনের পণ্য কিনে উপহার পেলেন ৮ ক্রেতা মিসাইল আতঙ্কে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীরা, সিলেটে পরিবারে উৎকণ্ঠা হবিগঞ্জে প্রশাসনের সভায় এমপির বউ, ইউএনও–এসি ল্যান্ড বদলি ক্ষমতায় গিয়েই নগ্ন দলীয়করণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান আকাঙ্খার পরিপন্থি : মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম সিলেটের জি কে গউছ জাতীয় সংসদের হুইপ মনোনীত এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর আগমনে উন্নয়নের প্রত্যাশা এম এ মালিকের ইরানের পাশে থাকার ঘোষণা চীনের

সিলেট সিটি করপোরেশনের ‘ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক’ হচ্ছেন আরিফ!

আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচনে অংশ না নিয়ে যে দলীয় আনুগত্য প্রদর্শন করেছিলেন, তার পুরস্কার পাচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। আবারও তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনে ফিরছেন। সিসিকের ‘ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক’ হিসেবে তিনি দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলেও এ নিয়ে আলোচনা চলছে।

২০১৩ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়র ছিলেন। এবার আসছেন ‘ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক’ হিসেবে। স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, তার নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

গত ১৭ এপ্রিল তিনি রাজধানী ঢাকায় কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দলীয় সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর তিনি প্রশাসনিক যোগাযোগ শুরু করেন।

জানা যায়, বর্তমানে বিভিন্ন সিটিতে যেসব অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক রয়েছেন, তারা কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনে হিমশিম খাচ্ছেন। ফলে করপোরেশনের কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় আলাদা প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যার আওতায় সিলেটও রয়েছে।

এদিকে, বিএনপির চার শীর্ষস্থানীয় সাবেক মেয়র— সিলেটের আরিফুল হক চৌধুরী, ময়মনসিংহের ইকরামুল হক টিটু, বরিশালের কামরুজ্জামান কামরান এবং খুলনার নজরুল ইসলাম মঞ্জু— সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়ে প্রশাসকের দায়িত্ব চেয়েছেন। তারা সকলেই বিগত নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নে বিজয়ী হয়েছিলেন।

এই চার নেতার সম্ভাব্য ফেরার খবরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, মেয়াদোত্তীর্ণ করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক নিয়োগের বিধান রয়েছে এবং সিলেটসহ চারটি সিটিতে আলাদা প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত সরকারের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছেছে। বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন দিলে নিয়োগ কার্যকর হবে।

অপরদিকে, আরিফুল হক চৌধুরী এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি এবং মেয়াদ শেষে দায়িত্ব ছেড়েছি। এখন যদি সুযোগ আসে, আমি আবারও জনগণের সেবা করতে প্রস্তুত।

জনপ্রিয়

ভারতের ভিসা শীঘ্রই চালু হবে: ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনারের আশ্বাস

সিলেট সিটি করপোরেশনের ‘ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক’ হচ্ছেন আরিফ!

প্রকাশের সময় : ০৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচনে অংশ না নিয়ে যে দলীয় আনুগত্য প্রদর্শন করেছিলেন, তার পুরস্কার পাচ্ছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। আবারও তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনে ফিরছেন। সিসিকের ‘ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক’ হিসেবে তিনি দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলেও এ নিয়ে আলোচনা চলছে।

২০১৩ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়র ছিলেন। এবার আসছেন ‘ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক’ হিসেবে। স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, তার নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

গত ১৭ এপ্রিল তিনি রাজধানী ঢাকায় কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দলীয় সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর তিনি প্রশাসনিক যোগাযোগ শুরু করেন।

জানা যায়, বর্তমানে বিভিন্ন সিটিতে যেসব অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক রয়েছেন, তারা কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনে হিমশিম খাচ্ছেন। ফলে করপোরেশনের কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় আলাদা প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যার আওতায় সিলেটও রয়েছে।

এদিকে, বিএনপির চার শীর্ষস্থানীয় সাবেক মেয়র— সিলেটের আরিফুল হক চৌধুরী, ময়মনসিংহের ইকরামুল হক টিটু, বরিশালের কামরুজ্জামান কামরান এবং খুলনার নজরুল ইসলাম মঞ্জু— সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়ে প্রশাসকের দায়িত্ব চেয়েছেন। তারা সকলেই বিগত নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নে বিজয়ী হয়েছিলেন।

এই চার নেতার সম্ভাব্য ফেরার খবরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, মেয়াদোত্তীর্ণ করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক নিয়োগের বিধান রয়েছে এবং সিলেটসহ চারটি সিটিতে আলাদা প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত সরকারের উচ্চপর্যায়ে পৌঁছেছে। বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন দিলে নিয়োগ কার্যকর হবে।

অপরদিকে, আরিফুল হক চৌধুরী এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি এবং মেয়াদ শেষে দায়িত্ব ছেড়েছি। এখন যদি সুযোগ আসে, আমি আবারও জনগণের সেবা করতে প্রস্তুত।