, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর আগমনে উন্নয়নের প্রত্যাশা এম এ মালিকের ইরানের পাশে থাকার ঘোষণা চীনের দ্বীনি হুকুমত প্রতিষ্ঠায় ইসলামী অনুশাসন মেনে চলা অপরিহার্য : অ্যাডভোকেট আব্দুর রব সিলেট থেকে রোহিঙ্গা যুবক আটক লাফার্জের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, ঠিকাদারি না পেয়ে মামলা লাফার্জহোলসিম এর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ: এলাকাবাসীর মাঝে তীব্র ক্ষোভ সিলেটে পৃথক অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ সিলেটের জৈন্তাপুরে বালুচাপায় যুবকের মৃত্যু সিলেটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃদ্ধার মৃত্যু সৈয়দুর রহমানের কৃষি প্রকল্প পরিদর্শনে দক্ষিণ সুরমার ইউএনও

হাদী হত্যার আগুনে সিলেট উত্তাল, ছাত্রলীগকে প্রতিহতের ডাক

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সিলেটে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু হয়, যা শুক্রবার জুমার নামাজের পর আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে সিলেট নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চ, এনসিপি, ইসলামী ছাত্রশিবির, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পদত্যাগের দাবিও করেন।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, ভারতের ‘প্রেসক্রিপশনে’ এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে এবং এতে আওয়ামী লীগ জড়িত। তারা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন। বিশেষ করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের যেকোনো কর্মকাণ্ড প্রতিহত করার ডাক দেওয়া হয়।

বিক্ষোভ চলাকালে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলেও নগরজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর আগমনে উন্নয়নের প্রত্যাশা এম এ মালিকের

হাদী হত্যার আগুনে সিলেট উত্তাল, ছাত্রলীগকে প্রতিহতের ডাক

প্রকাশের সময় : ০৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সিলেটে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু হয়, যা শুক্রবার জুমার নামাজের পর আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে সিলেট নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা। কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চ, এনসিপি, ইসলামী ছাত্রশিবির, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পদত্যাগের দাবিও করেন।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, ভারতের ‘প্রেসক্রিপশনে’ এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে এবং এতে আওয়ামী লীগ জড়িত। তারা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন। বিশেষ করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের যেকোনো কর্মকাণ্ড প্রতিহত করার ডাক দেওয়া হয়।

বিক্ষোভ চলাকালে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলেও নগরজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।