, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর আগমনে উন্নয়নের প্রত্যাশা এম এ মালিকের ইরানের পাশে থাকার ঘোষণা চীনের দ্বীনি হুকুমত প্রতিষ্ঠায় ইসলামী অনুশাসন মেনে চলা অপরিহার্য : অ্যাডভোকেট আব্দুর রব সিলেট থেকে রোহিঙ্গা যুবক আটক লাফার্জের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, ঠিকাদারি না পেয়ে মামলা লাফার্জহোলসিম এর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ: এলাকাবাসীর মাঝে তীব্র ক্ষোভ সিলেটে পৃথক অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ সিলেটের জৈন্তাপুরে বালুচাপায় যুবকের মৃত্যু সিলেটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃদ্ধার মৃত্যু সৈয়দুর রহমানের কৃষি প্রকল্প পরিদর্শনে দক্ষিণ সুরমার ইউএনও

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে জমি অধিগ্রহণে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদ রাজী ও বিচারপতি রাজিউদ্দীন আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

একই সঙ্গে নরসিংদী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় চলমান দুর্নীতি তদন্তে নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের উন্নয়নকাজ চললেও চার বছরেও জমি অধিগ্রহণ শেষ না হওয়ায় পুরো প্রকল্প কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

নরসিংদীর বাসিন্দা মাহাবুবুর রহমান দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত ‘জমি অধিগ্রহণের ৮ কোটি টাকা পেতে ঘুস ১ কোটি’ শীর্ষক প্রতিবেদন সংযুক্ত করে গত ১৯ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। বৃহস্পতিবার ওই রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

শিশির মনির আরও বলেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হয়। তিনি এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক ও প্রতিবেদককে ধন্যবাদ জানান।

রিটকারী মাহাবুবুর রহমান বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করলেও কমিটির প্রধানের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ফলে এ কমিটির মাধ্যমে সঠিক তদন্ত হবে না বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদনের পর সাত জেলায় মোট ৬৬টি এলএ কেসের আওতায় জমি অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে এখন পর্যন্ত মাত্র ১১টি কেসে দখল হস্তান্তর হয়েছে। চার বছরে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৫ শতাংশ।

নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট এই সাত জেলায় অধিকাংশ জমি অধিগ্রহণের কাজ এখনো ঝুলে রয়েছে, যা ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর আগমনে উন্নয়নের প্রত্যাশা এম এ মালিকের

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে জমি অধিগ্রহণে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে হাইকোর্টের নির্দেশ

প্রকাশের সময় : ১২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদ রাজী ও বিচারপতি রাজিউদ্দীন আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

একই সঙ্গে নরসিংদী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় চলমান দুর্নীতি তদন্তে নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের উন্নয়নকাজ চললেও চার বছরেও জমি অধিগ্রহণ শেষ না হওয়ায় পুরো প্রকল্প কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

নরসিংদীর বাসিন্দা মাহাবুবুর রহমান দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত ‘জমি অধিগ্রহণের ৮ কোটি টাকা পেতে ঘুস ১ কোটি’ শীর্ষক প্রতিবেদন সংযুক্ত করে গত ১৯ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। বৃহস্পতিবার ওই রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

শিশির মনির আরও বলেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হয়। তিনি এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক ও প্রতিবেদককে ধন্যবাদ জানান।

রিটকারী মাহাবুবুর রহমান বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করলেও কমিটির প্রধানের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ফলে এ কমিটির মাধ্যমে সঠিক তদন্ত হবে না বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদনের পর সাত জেলায় মোট ৬৬টি এলএ কেসের আওতায় জমি অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে এখন পর্যন্ত মাত্র ১১টি কেসে দখল হস্তান্তর হয়েছে। চার বছরে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৫ শতাংশ।

নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট এই সাত জেলায় অধিকাংশ জমি অধিগ্রহণের কাজ এখনো ঝুলে রয়েছে, যা ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।