, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে সেনাবাহিনীর অভিযানে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ২ নেতার বাসা থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার খাল খননে প্রাণ ফিরেছে দক্ষিণ সুরমার কৃষিতে, সেচ সুবিধায় হাসি ফিরেছে হাজারো কৃষকের মুখে সিলেটে বাল্যবিবাহ রুখে দিল উপজেলা প্রশাসন, মুচলেকায় বন্ধ হলো বিয়ে খালেদা জিয়ার ঐতিহ্য বজায় রেখে সিলেট থেকে প্রচার শুরু করছেন তারেক রহমান সুনামগঞ্জে হাওরে তাণ্ডব: হাঁসের খামারে সশস্ত্র হামলা ও লুটপাট, মালিকসহ তিনজন রক্তাক্ত মৌলভীবাজারে ডাকাতি করে পালানোর সময় অস্ত্র ও লুন্ঠিত মালামালসহ আটক ৪ বাংলাদেশসহ চার দেশের শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রক্রিয়া কঠিন করল অস্ট্রেলিয়া সিলেটের বেলুন ভারতে, আসামে আতঙ্কে পুলিশ সিলেটে যাত্রীবেশে ভয়ংকর ছিনতাই চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার সিএনজি দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন

২০০ টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন হিরো আলম

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০১:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬৩ পড়া হয়েছে

রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টা, মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে সাবেক স্ত্রী রিয়া মনির করা মামলায় গ্রেপ্তারের পর জামিন পেয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান তার জামিনের আদেশ দেন।

এদিন বিকেল ৪টার দিকে হাতিরঝিল থানা থেকে হিরো আলমকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের হাজতখানায় তাকে রাখা হয়। সেখান থেকে তাকে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে সিএমএম আদালতের ৯ তলার এজলাসে ওঠানো হয়।

হিরো আলমের আইনজীবী শান্তা সাছসিনা, রিপনসহ আরও অনেকেই তার জামিন চেয়ে শুনানি করেন। বাদীপক্ষ জিয়াউর রহমান, অভিজিৎ মজুমদার এই জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ২০০ টাকায় মুচলেকায় আদালত তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে।

এর আগে, শনিবার দুপুরে রাজধানীর নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে হাতিরঝিল থানা পুলিশ।

গত ১২ নভেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামানের আদালত হিরো আলম ও তার সহযোগী আহসান হাবিব সেলিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সেই পরোয়ানা অনুসারেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি হিরো আলম ও বাদী রিয়া মনির মধ্যে মনোমালিন্য হয়। এরপর হিরো আলম বাদীকে তালাক দিয়ে বাসা থেকে বের করে দেন। গত ২১ জুন বাদীর পরিবারের সঙ্গে মীমাংসা করার জন্য হাতিরঝিল থানা এলাকায় একটি বাসায় ডাকা হয়। এ সময় হিরো আলমসহ ১০ থেকে ১২ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। পরে তারা বাদীর বর্তমান বাসায় বেআইনিভাবে প্রবেশ করে কাঠের লাঠি দিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে মারধর করেন। ওই হামলায় বাদীর শরীরে জখম সৃষ্টি হয়। এ সময় তার গলায় থাকা দেড় ভরি ওজনের সোনার চেইন চুরি হয়।

জনপ্রিয়

সিলেটে সেনাবাহিনীর অভিযানে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ২ নেতার বাসা থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

২০০ টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন হিরো আলম

প্রকাশের সময় : ০১:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টা, মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে সাবেক স্ত্রী রিয়া মনির করা মামলায় গ্রেপ্তারের পর জামিন পেয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল হাসান তার জামিনের আদেশ দেন।

এদিন বিকেল ৪টার দিকে হাতিরঝিল থানা থেকে হিরো আলমকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের হাজতখানায় তাকে রাখা হয়। সেখান থেকে তাকে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে সিএমএম আদালতের ৯ তলার এজলাসে ওঠানো হয়।

হিরো আলমের আইনজীবী শান্তা সাছসিনা, রিপনসহ আরও অনেকেই তার জামিন চেয়ে শুনানি করেন। বাদীপক্ষ জিয়াউর রহমান, অভিজিৎ মজুমদার এই জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ২০০ টাকায় মুচলেকায় আদালত তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে।

এর আগে, শনিবার দুপুরে রাজধানীর নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে হাতিরঝিল থানা পুলিশ।

গত ১২ নভেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামানের আদালত হিরো আলম ও তার সহযোগী আহসান হাবিব সেলিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সেই পরোয়ানা অনুসারেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি হিরো আলম ও বাদী রিয়া মনির মধ্যে মনোমালিন্য হয়। এরপর হিরো আলম বাদীকে তালাক দিয়ে বাসা থেকে বের করে দেন। গত ২১ জুন বাদীর পরিবারের সঙ্গে মীমাংসা করার জন্য হাতিরঝিল থানা এলাকায় একটি বাসায় ডাকা হয়। এ সময় হিরো আলমসহ ১০ থেকে ১২ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। পরে তারা বাদীর বর্তমান বাসায় বেআইনিভাবে প্রবেশ করে কাঠের লাঠি দিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে মারধর করেন। ওই হামলায় বাদীর শরীরে জখম সৃষ্টি হয়। এ সময় তার গলায় থাকা দেড় ভরি ওজনের সোনার চেইন চুরি হয়।