, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে আলোচিত রায়হান হত্যা মামলার রায়ের তারিখ নির্ধারণ ৭ জানুয়ারি ফেসবুকে পরিচয়, ঘর ছেড়ে সিলেটে দুই কিশোরী: কোম্পানীগঞ্জে রুম ভাড়া নিতে গিয়ে আটক বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ফতেপুর ইসলাম নগর মাদ্রাসায় দোয়া মাহফিল মৌলভীবাজারে জালিয়াতি ও প্রতারণা করে মাত্র ৪ মাসে কোটিপতি অনুপ দাস সিলেট বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হলেন দিরাইয়ের মম পুরকায়স্থ সিলেট-৪: জোট না হলে খেজুরগাছ প্রতীকেই একক লড়াইয়ের ঘোষণা মোহাম্মদ আলীর সিলেটে র‍্যাবের অভিযানে আবর্জনার স্তুপে মিললো অস্ত্র সিলেটে আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কার্যকলাপ: ৫ তরুণ-তরুণী আটক কালচারাল ফ্যাসিস্টদের দায়মুক্তি দিলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না : শাবিতে ভিপি সাদিক সুনামগঞ্জে প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা

সাংবাদিক থেকে অভিনেতা : যৌথ প্রযোজনার ছবিতে সিলেটের জয়ন্ত

সাংবাদিকতা পেশার বাইরে এবার অভিনয়েও নিজেকে প্রমাণ করছেন সিলেটের জয়ন্ত কুমার দাস। দুই বাংলার যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত আঞ্চলিক ভাষার চলচ্চিত্র “মামনের চিঠি”-তে তিনি অভিনয় করেছেন একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে।

দুই বাংলার যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত আঞ্চলিক ভাষার চলচ্চিত্র “মামনের চিঠি” এবার মুক্তির অপেক্ষায়। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কৈলাশহর টাউন হলে আগামী ৭, ৮ ও ৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সিনেমাটির প্রথম প্রদর্শনী। প্রতিদিন চারটি শো চলবে—সকাল ১১টা, দুপুর ২টা, সন্ধ্যা ৫টা ও রাত ৭টায়। পরবর্তীতে সিনেমাটি বাংলাদেশসহ ভারতজুড়ে মুক্তি পাবে।

সিলেটি, প্রমিত বাংলা ও হিন্দি ভাষার মিশেলে নির্মিত এই সিনেমাটি ভারত ও বাংলাদেশের সংস্কৃতির সুন্দর মেলবন্ধন ফুটিয়ে তুলেছে। কাহিনিতে রয়েছে প্রাচীন দিনের চিঠির মাধ্যমে জন্ম নেওয়া এক মিষ্টি প্রেমের গল্প; পাশাপাশি দুই দেশের মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতিফলনও তুলে ধরা হয়েছে।

চলচ্চিত্রটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় এবং বাংলাদেশের সিলেটের বিভিন্ন মনোরম স্থানে। এতে দুই দেশের বেশ কয়েকজন শিল্পী অভিনয় করেছেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছেন সাংবাদিক ও অভিনেতা জয়ন্ত কুমার দাস, যিনি সিনেমায় একজন পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।

গল্পে দেখা যায়, ভারতের এক নাগরিক বাংলাদেশে বিপদে পড়লে জয়ন্তের নেতৃত্বাধীন পুলিশ বাহিনী উদ্ধার অভিযানে নামে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে। এই ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সহযোগিতা ও সম্প্রীতির প্রতিচ্ছবি তুলে ধরা হয়েছে।

অভিনয়ে রয়েছেন—জয়ন্ত কুমার দাস, আবদুল মতিন লাল, রবিউল আওয়াল, রুবেল, জুনেদ, সামি প্রমুখ।

প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ভারতের সিদ্ধার্থ সিনহা ও গৌতমী মিশ্রা।

ট্রেইলার মুক্তির পর থেকেই দুই বাংলার দর্শকরা সিনেমাটির প্রশংসায় মেতে উঠেছেন। বিশেষ করে সিলেটি ভাষায় নির্মিত হওয়ায় সিলেট অঞ্চলে ছবিটি নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনা চোখে পড়ার মতো।

জানা গেছে, জয়ন্ত কুমার দাস নিয়মিত অভিনয়চর্চার পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশায়ও যুক্ত আছেন। তিনি সিলেটের বাসিন্দা হলেও তার বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায়। নাটক, বিজ্ঞাপন ও মিউজিক ভিডিওতে অভিনয়ের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই তিনি দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

“মামনের চিঠি” সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ভারতের সিদ্ধার্থ সিনহা, এবং কো-ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন সিলেটের সোহেল আহমেদ।

সব মিলিয়ে, দুই বাংলার ভালোবাসা, সংস্কৃতি ও সংযোগের প্রতীক হিসেবে “মামনের চিঠি” এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

জনপ্রিয়

সিলেটে আলোচিত রায়হান হত্যা মামলার রায়ের তারিখ নির্ধারণ ৭ জানুয়ারি

সাংবাদিক থেকে অভিনেতা : যৌথ প্রযোজনার ছবিতে সিলেটের জয়ন্ত

প্রকাশের সময় : ০৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

সাংবাদিকতা পেশার বাইরে এবার অভিনয়েও নিজেকে প্রমাণ করছেন সিলেটের জয়ন্ত কুমার দাস। দুই বাংলার যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত আঞ্চলিক ভাষার চলচ্চিত্র “মামনের চিঠি”-তে তিনি অভিনয় করেছেন একজন পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে।

দুই বাংলার যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত আঞ্চলিক ভাষার চলচ্চিত্র “মামনের চিঠি” এবার মুক্তির অপেক্ষায়। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কৈলাশহর টাউন হলে আগামী ৭, ৮ ও ৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সিনেমাটির প্রথম প্রদর্শনী। প্রতিদিন চারটি শো চলবে—সকাল ১১টা, দুপুর ২টা, সন্ধ্যা ৫টা ও রাত ৭টায়। পরবর্তীতে সিনেমাটি বাংলাদেশসহ ভারতজুড়ে মুক্তি পাবে।

সিলেটি, প্রমিত বাংলা ও হিন্দি ভাষার মিশেলে নির্মিত এই সিনেমাটি ভারত ও বাংলাদেশের সংস্কৃতির সুন্দর মেলবন্ধন ফুটিয়ে তুলেছে। কাহিনিতে রয়েছে প্রাচীন দিনের চিঠির মাধ্যমে জন্ম নেওয়া এক মিষ্টি প্রেমের গল্প; পাশাপাশি দুই দেশের মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতিফলনও তুলে ধরা হয়েছে।

চলচ্চিত্রটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় এবং বাংলাদেশের সিলেটের বিভিন্ন মনোরম স্থানে। এতে দুই দেশের বেশ কয়েকজন শিল্পী অভিনয় করেছেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছেন সাংবাদিক ও অভিনেতা জয়ন্ত কুমার দাস, যিনি সিনেমায় একজন পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।

গল্পে দেখা যায়, ভারতের এক নাগরিক বাংলাদেশে বিপদে পড়লে জয়ন্তের নেতৃত্বাধীন পুলিশ বাহিনী উদ্ধার অভিযানে নামে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে। এই ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সহযোগিতা ও সম্প্রীতির প্রতিচ্ছবি তুলে ধরা হয়েছে।

অভিনয়ে রয়েছেন—জয়ন্ত কুমার দাস, আবদুল মতিন লাল, রবিউল আওয়াল, রুবেল, জুনেদ, সামি প্রমুখ।

প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ভারতের সিদ্ধার্থ সিনহা ও গৌতমী মিশ্রা।

ট্রেইলার মুক্তির পর থেকেই দুই বাংলার দর্শকরা সিনেমাটির প্রশংসায় মেতে উঠেছেন। বিশেষ করে সিলেটি ভাষায় নির্মিত হওয়ায় সিলেট অঞ্চলে ছবিটি নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনা চোখে পড়ার মতো।

জানা গেছে, জয়ন্ত কুমার দাস নিয়মিত অভিনয়চর্চার পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশায়ও যুক্ত আছেন। তিনি সিলেটের বাসিন্দা হলেও তার বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায়। নাটক, বিজ্ঞাপন ও মিউজিক ভিডিওতে অভিনয়ের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই তিনি দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

“মামনের চিঠি” সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ভারতের সিদ্ধার্থ সিনহা, এবং কো-ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন সিলেটের সোহেল আহমেদ।

সব মিলিয়ে, দুই বাংলার ভালোবাসা, সংস্কৃতি ও সংযোগের প্রতীক হিসেবে “মামনের চিঠি” এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।