, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

সিলেটে পুলিশ সদস্যের কলেজপড়ুয়া মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সিলেট নগরের বাদামবাগিচা এলাকার ইলাশকান্দিতে নিজ বাসা থেকে এক কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত শিক্ষার্থীর নাম তাহমিনা আক্তার জেরিন (১৮)। তিনি সিলেট নগরের অগ্রগামী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। তার বর্তমান ঠিকানা উদয়ন-২৪, ইলাশকান্দি, বাদামবাগিচা এলাকা এবং গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানার উত্তর কামলাবাজ (সাচনা) গ্রামে। জেরিনের বাবা নবী উদ্দিন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের এটিএসআই পদে কর্মরত।

বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সৌমেন মৈত্র জানান, ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় জেরিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদনে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। পারিবারিক কোনো বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হয়েছিল কি না, সে বিষয়সহ সার্বিক দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মা, বাবা ও দাদির সঙ্গে ঝগড়ার জের ধরে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ হলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সিলেট থেকে রোহিঙ্গা যুবক আটক

সিলেটে পুলিশ সদস্যের কলেজপড়ুয়া মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

সিলেট নগরের বাদামবাগিচা এলাকার ইলাশকান্দিতে নিজ বাসা থেকে এক কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত শিক্ষার্থীর নাম তাহমিনা আক্তার জেরিন (১৮)। তিনি সিলেট নগরের অগ্রগামী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। তার বর্তমান ঠিকানা উদয়ন-২৪, ইলাশকান্দি, বাদামবাগিচা এলাকা এবং গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানার উত্তর কামলাবাজ (সাচনা) গ্রামে। জেরিনের বাবা নবী উদ্দিন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের এটিএসআই পদে কর্মরত।

বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সৌমেন মৈত্র জানান, ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় জেরিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদনে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। পারিবারিক কোনো বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হয়েছিল কি না, সে বিষয়সহ সার্বিক দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মা, বাবা ও দাদির সঙ্গে ঝগড়ার জের ধরে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ হলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।