, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে পৃথক অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ সিলেটের জৈন্তাপুরে বালুচাপায় যুবকের মৃত্যু সিলেটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃদ্ধার মৃত্যু সৈয়দুর রহমানের কৃষি প্রকল্প পরিদর্শনে দক্ষিণ সুরমার ইউএনও আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত: ইরান ইরানের মিসাইল হামলায় দুবাইয়ে বড়লেখার প্রবাসী সালেহ মিয়া নিহত যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েলে সবচেয়ে বড় হামলা চালাল ইরান দক্ষ জনশক্তি গড়তে বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটের বিকল্প নেই : সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটের বালাগঞ্জে নৃশংস হামলা: ছাত্রদল কর্মী শাহ ইসমাইলকে কুপিয়ে হত্যা হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলো ইরান

লিবিয়ায় প্রবাসী অপহরণ করে মুক্তিপণ: সিলেটে র‍্যাবের হাতে যুবক গ্রেপ্তার

লিবিয়ায় এক বাংলাদেশি প্রবাসীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে সিলেটের বিয়ানীবাজার থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম ছাদেক আহমেদ (৩০)। তিনি বিয়ানীবাজার উপজেলার খাশির গ্রামের বাসিন্দা।

র‍্যাব জানায়, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে বিয়ানীবাজারে অভিযান চালিয়ে ছাদেক আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ মঙ্গলবার সকালে তাঁকে সিলেটের জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে জালালাবাদ থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

র‍্যাবের তথ্য অনুযায়ী, অপহৃত প্রবাসী সুমন মিয়া নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের চর কিশোরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। আট বছর আগে তিনি কাজের উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় যান। সেখানে আবু বক্কর নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ২০২৫ সালের জুন মাসে সুমনের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে সেটি নবায়নের জন্য তিনি আবু বক্করের কাছে দেন।

২০২৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সুমন বাংলাদেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের ফোন করে জানান, আবু বক্করসহ অজ্ঞাতনামা তিন থেকে চারজন তাঁকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করছে। টাকা না দিলে তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এরপর সুমনের দেওয়া তিনটি বিকাশ নম্বরে বিভিন্ন সময়ে পরিবারের সদস্যরা মোট ৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা পাঠান। টাকা পাঠানোর পর থেকে সুমনের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এ ঘটনার ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২০ ডিসেম্বর সকালে অপরিচিত এক ব্যক্তি সুমনের ভাই রিয়াদ হোসেনকে ফোন করে আরও ৩–৪ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে আবু বক্করের মাধ্যমে সুমনকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। পরে ২২ ডিসেম্বর রিয়াদ হোসেন সিলেটের জালালাবাদ থানায় আবু বক্করসহ অজ্ঞাতনামা তিন থেকে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

র‍্যাব-৯–এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সিলেটে পৃথক অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ

লিবিয়ায় প্রবাসী অপহরণ করে মুক্তিপণ: সিলেটে র‍্যাবের হাতে যুবক গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ০৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

লিবিয়ায় এক বাংলাদেশি প্রবাসীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে সিলেটের বিয়ানীবাজার থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম ছাদেক আহমেদ (৩০)। তিনি বিয়ানীবাজার উপজেলার খাশির গ্রামের বাসিন্দা।

র‍্যাব জানায়, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে বিয়ানীবাজারে অভিযান চালিয়ে ছাদেক আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ মঙ্গলবার সকালে তাঁকে সিলেটের জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে জালালাবাদ থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

র‍্যাবের তথ্য অনুযায়ী, অপহৃত প্রবাসী সুমন মিয়া নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের চর কিশোরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। আট বছর আগে তিনি কাজের উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় যান। সেখানে আবু বক্কর নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। ২০২৫ সালের জুন মাসে সুমনের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে সেটি নবায়নের জন্য তিনি আবু বক্করের কাছে দেন।

২০২৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সুমন বাংলাদেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের ফোন করে জানান, আবু বক্করসহ অজ্ঞাতনামা তিন থেকে চারজন তাঁকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করছে। টাকা না দিলে তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এরপর সুমনের দেওয়া তিনটি বিকাশ নম্বরে বিভিন্ন সময়ে পরিবারের সদস্যরা মোট ৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা পাঠান। টাকা পাঠানোর পর থেকে সুমনের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এ ঘটনার ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২০ ডিসেম্বর সকালে অপরিচিত এক ব্যক্তি সুমনের ভাই রিয়াদ হোসেনকে ফোন করে আরও ৩–৪ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে আবু বক্করের মাধ্যমে সুমনকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। পরে ২২ ডিসেম্বর রিয়াদ হোসেন সিলেটের জালালাবাদ থানায় আবু বক্করসহ অজ্ঞাতনামা তিন থেকে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

র‍্যাব-৯–এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।