, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিলেটে পৃথক অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ সিলেটের জৈন্তাপুরে বালুচাপায় যুবকের মৃত্যু সিলেটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃদ্ধার মৃত্যু সৈয়দুর রহমানের কৃষি প্রকল্প পরিদর্শনে দক্ষিণ সুরমার ইউএনও আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত: ইরান ইরানের মিসাইল হামলায় দুবাইয়ে বড়লেখার প্রবাসী সালেহ মিয়া নিহত যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েলে সবচেয়ে বড় হামলা চালাল ইরান দক্ষ জনশক্তি গড়তে বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটের বিকল্প নেই : সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটের বালাগঞ্জে নৃশংস হামলা: ছাত্রদল কর্মী শাহ ইসমাইলকে কুপিয়ে হত্যা হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলো ইরান

সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে হামলা, ইন্টার্নদের কর্মবিরতি

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও স্টাফদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের তর্ক, ভাঙচুর ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করছেন।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রোগীর স্বজনরা চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে প্রথমে নার্স ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে তারা ওয়ার্ডের ভেতরে ভাঙচুর শুরু করেন এবং শিক্ষানবিশ চিকিৎসকসহ দায়িত্বরতদের ওপর হামলা চালান। হামলায় এক নারী শিক্ষানবিশ চিকিৎসককে হেনস্তা করা হয় এবং ওয়ার্ডে দায়িত্বরত কয়েকজন কর্মী মারধরের শিকার হন। ঘটনার খবর পেয়ে দায়িত্বরত শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত এক নারীসহ তিনজনকে আটক করেন। পরে ডাক্তার ও স্টাফরা মিলে রোগীর স্বজনসহ তিনজনকে বেধড়ক পেটান। পুলিশ পরে গভীর রাতে তাদের আটক করে নিয়ে যায়। বর্তমানে তারা নগরের অন্য একটা প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালের উপপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা রাত থেকেই কর্মবিরতি পালন করছেন। হামলার বিষয়ে মামলা করা হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের অগ্রাধিকার। এ ছাড়া, হাসপাতাল এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে আমরা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।

এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (মিডিয়া) বলেন, রোগীর স্বজনদের সঙ্গে হাসপাতালের শিক্ষানবিশ চিকিৎসক ও স্টাফদের মধ্যে তর্ক এবং মারামারির ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের কয়েকটি দল হাসপাতালে যায়। হামলার ঘটনায় কয়েকজন আটক আছেন। হাসপাতাল এলাকায় নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ তৎপর আছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সিলেটে পৃথক অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ

সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে হামলা, ইন্টার্নদের কর্মবিরতি

প্রকাশের সময় : ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও স্টাফদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের তর্ক, ভাঙচুর ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করছেন।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রোগীর স্বজনরা চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে প্রথমে নার্স ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে তারা ওয়ার্ডের ভেতরে ভাঙচুর শুরু করেন এবং শিক্ষানবিশ চিকিৎসকসহ দায়িত্বরতদের ওপর হামলা চালান। হামলায় এক নারী শিক্ষানবিশ চিকিৎসককে হেনস্তা করা হয় এবং ওয়ার্ডে দায়িত্বরত কয়েকজন কর্মী মারধরের শিকার হন। ঘটনার খবর পেয়ে দায়িত্বরত শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত এক নারীসহ তিনজনকে আটক করেন। পরে ডাক্তার ও স্টাফরা মিলে রোগীর স্বজনসহ তিনজনকে বেধড়ক পেটান। পুলিশ পরে গভীর রাতে তাদের আটক করে নিয়ে যায়। বর্তমানে তারা নগরের অন্য একটা প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

বিষয়টি নিয়ে হাসপাতালের উপপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা রাত থেকেই কর্মবিরতি পালন করছেন। হামলার বিষয়ে মামলা করা হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের অগ্রাধিকার। এ ছাড়া, হাসপাতাল এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে আমরা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।

এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (মিডিয়া) বলেন, রোগীর স্বজনদের সঙ্গে হাসপাতালের শিক্ষানবিশ চিকিৎসক ও স্টাফদের মধ্যে তর্ক এবং মারামারির ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের কয়েকটি দল হাসপাতালে যায়। হামলার ঘটনায় কয়েকজন আটক আছেন। হাসপাতাল এলাকায় নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ তৎপর আছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।