, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

বহিষ্কার করলেও মানুষের বিবেককে বহিষ্কার করা যায় না : দলীয় সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে চাকসু মামুন

বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালের দিনে দলের নেওয়া সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের একজন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মী। তিনি বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত আসতে পারেএটা জেনেই তিনি নির্বাচনে দাঁড়াননি। তবে দেশের কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামে আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালের দিনে দলের কিছু নেতার এমন সিদ্ধান্ত কেন এসেছে, তা তার ৪৫ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি ভালোভাবে বোঝেন।

তিনি অভিযোগ করেন, জনবিচ্ছিন্ন একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে এগিয়ে আনার ব্যর্থ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে চাপ সৃষ্টি করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যারা ভাবছেন, ‘খয়রাতী’ আসনে বহিষ্কার করিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া যাবে—তারা ভুল করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ওই নেতা আরও বলেন, নির্বাচনে তার অংশগ্রহণ কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়; বরং ৪৫ বছর ধরে যে মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তিনি যুক্ত, তাদের অনুমোদন নিয়েই তিনি রাজনৈতিক জীবন বাজি রেখেছেন। নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের ফয়সালা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের হাতে—এ কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, তার আগামীর রাজনৈতিক পথ নির্ধারণ করবে কেবল জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের মানুষই।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জন্মভূমির মাটির সঙ্গে বেঈমানী করে কোনো অর্জন তিনি চান না। সংগ্রামের জীবন তিনি উৎসর্গ করেছেন জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের সর্বস্তরের মানুষের জন্য। রাজনীতি কোনো সরল রেখায় চলে না—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, মানুষ এবার প্রমাণ করবে—কাউকে বহিষ্কার করা গেলেও মানুষের বিবেক ও চেতনাকে বহিষ্কার করা যায় না।

সিলেট থেকে রোহিঙ্গা যুবক আটক

বহিষ্কার করলেও মানুষের বিবেককে বহিষ্কার করা যায় না : দলীয় সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে চাকসু মামুন

প্রকাশের সময় : ০৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালের দিনে দলের নেওয়া সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের একজন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মী। তিনি বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত আসতে পারেএটা জেনেই তিনি নির্বাচনে দাঁড়াননি। তবে দেশের কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামে আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালের দিনে দলের কিছু নেতার এমন সিদ্ধান্ত কেন এসেছে, তা তার ৪৫ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি ভালোভাবে বোঝেন।

তিনি অভিযোগ করেন, জনবিচ্ছিন্ন একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে এগিয়ে আনার ব্যর্থ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে চাপ সৃষ্টি করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যারা ভাবছেন, ‘খয়রাতী’ আসনে বহিষ্কার করিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া যাবে—তারা ভুল করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ওই নেতা আরও বলেন, নির্বাচনে তার অংশগ্রহণ কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়; বরং ৪৫ বছর ধরে যে মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তিনি যুক্ত, তাদের অনুমোদন নিয়েই তিনি রাজনৈতিক জীবন বাজি রেখেছেন। নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের ফয়সালা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের হাতে—এ কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, তার আগামীর রাজনৈতিক পথ নির্ধারণ করবে কেবল জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের মানুষই।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জন্মভূমির মাটির সঙ্গে বেঈমানী করে কোনো অর্জন তিনি চান না। সংগ্রামের জীবন তিনি উৎসর্গ করেছেন জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের সর্বস্তরের মানুষের জন্য। রাজনীতি কোনো সরল রেখায় চলে না—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, মানুষ এবার প্রমাণ করবে—কাউকে বহিষ্কার করা গেলেও মানুষের বিবেক ও চেতনাকে বহিষ্কার করা যায় না।