ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ি ও প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে হত্যা করতে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা। তবে তাদের এই হামলা ব্যর্থ হয়েছে বলে জানা গেছে। কারণ খামেনেয়িকে আগেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল। আর পেজেশকিয়ানও অক্ষত আছেন বলে জানিয়েছেন ইরানি কর্মকর্তারা।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। পেন্টাগন এই অভিযানকে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নাম দিয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানায়, প্রথম দফার হামলায় মূলত ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
তবে ইরানের কোনও শীর্ষ সামরিক বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রাণহানির খবর এখনো পাওয়া যায়নি। তবে দেশটির একটি স্কুলে হামলায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত সেই হামলায় অন্তত ৫৩ জন নিহত ও ৬০ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে আগ্রাসনের শিকার হয়ে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে আরব আমিরাতে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। হামলা-পাল্টা হামলার কারণে এখন মধ্যপ্রাচ্যের বেশিরভাগ দেশ আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। এতে বৈশ্বিক বিমানব্যবস্থা বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 











