, শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ সিলেটে ঘুষ লেনদেনের ভিডিও ভাইরাল, দুই ট্রাফিক পুলিশ প্রত্যাহার শনিবার সিলেটের যেসব এলাকায় ৮ ঘণ্টা থাকবে না বিদ্যুৎ  সিলেট সদরে প্রশাসনের অভিযানে পুকুর থেকে সাদাপাথর উদ্ধার পারিবারিক বিরোধের জেরে ছাতকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত হযরত শাহপরান (রহ.) মাজারে ২ দিনব্যাপী ওরস শুরু পাথর লুটে জড়িত ২ হাজার ব্যক্তি : হাইকোর্টে খনিজ সম্পদ ও পরিবেশ সচিবের প্রতিবেদন সিলেটের তামাবিলে চোরাই পণ্যের নিলাম নিয়ে ছাত্রদল-শ্রমিক সংঘর্ষ, আহত ১০ গোলাপগঞ্জে সরকারি জমি দখল করে মাছের খামার, ৪ জনের কারাদণ্ড মৌলভীবাজারে বিএসটিআইয়ের অভিযানে এক লক্ষ সত্তর হাজার টাকা জরিমানা আদায়

পাথর লুটে জড়িত ২ হাজার ব্যক্তি : হাইকোর্টে খনিজ সম্পদ ও পরিবেশ সচিবের প্রতিবেদন

সিলেটের ভোলাগঞ্জ থেকে ১৫০০ থেকে ২০০০ ব্যক্তি সাদা পাথর লুট করেছে। এ কারণে খনিজ সম্পদ (নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন) আইন, ১৯৯২ এবং বিধিমালা ২০১২ এর ৯৩(১) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০০০ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার খনিজ সম্পদ ও পরিবেশ সচিবের পক্ষে হাইকোর্টে দাখিল করা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদনটি দাখিল করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে ১৫ আগস্ট কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা নং ০৯ দায়ের করা হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ৫ আগস্ট থেকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ১৫০০–২০০০ ব্যক্তি পাথর চুরি করে নিয়ে গেছে।

আদালতের নির্দেশনা অনুসারে পরিবেশগত আর্থিক ক্ষতি নিরূপণের জন্য অতিরিক্ত সচিব (অপারেশন), জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আহ্বানে বুয়েটের একজন অধ্যাপকসহ ৬ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক এভিডেভিট দাখিল করে আদালতকে অবগত করেন যে, পাথর প্রতিস্থাপনের কাজ চলমান আছে, দায়ী ব্যক্তিদের তালিকা তৈরির কাজ অব্যাহত আছে এবং ভোলাগঞ্জের পাথর কোয়ারি এরিয়া নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

বিভিন্ন পত্রিকায় সাদা পাথর লুটপাটের সংবাদ প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ রিট পিটিশন দায়ে করলে গত ১৪ আগস্ট হাইকোর্ট রুল জারি করেন। পাশাপাশি ৭ (সাত) দিনের মধ্যে বিবাদীরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লুট হওয়া উক্ত সাদা পাথর স্থানীয় সিভিল প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগীতায় সংগ্রহ করে ভোলাগঞ্জের উক্ত নির্দিষ্ট স্থানে উক্ত সাদা পাথরগুলোকে প্রতিস্থাপনের নির্দেশ দেন। জেলা প্রশাসন, বিজিবি, র‌্যাবসহ মোট ৫ (পাঁচ) জনকে সাদা পাথর লুটপাটের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে এফিডেভিট আকারে ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দেন।

পরিবেশ সচিব ও খনিজ সম্পদ সচিবকে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে যেখানে বুয়েটের একজন প্রফেসর থাকবেন তাদের মাধ্যমে পাথর সরানোর কারণে পরিবেশের কি পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তা নিরূপণ করে ২ (দুই) মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। স্থানীয় প্রশাসন ও বিবাদীদেরকে উক্ত এলাকায় ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘণ্টার মধ্যে দিন ও রাতে তদারকির জন্য মনিটরিং টিম গঠন করে ২ (দুই) সপ্তাহের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেন। শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

জনপ্রিয়

দক্ষিণ সুরমা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ

পাথর লুটে জড়িত ২ হাজার ব্যক্তি : হাইকোর্টে খনিজ সম্পদ ও পরিবেশ সচিবের প্রতিবেদন

প্রকাশের সময় : ১৪ ঘন্টা আগে

সিলেটের ভোলাগঞ্জ থেকে ১৫০০ থেকে ২০০০ ব্যক্তি সাদা পাথর লুট করেছে। এ কারণে খনিজ সম্পদ (নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন) আইন, ১৯৯২ এবং বিধিমালা ২০১২ এর ৯৩(১) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০০০ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার খনিজ সম্পদ ও পরিবেশ সচিবের পক্ষে হাইকোর্টে দাখিল করা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদনটি দাখিল করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে ১৫ আগস্ট কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা নং ০৯ দায়ের করা হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, ৫ আগস্ট থেকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ১৫০০–২০০০ ব্যক্তি পাথর চুরি করে নিয়ে গেছে।

আদালতের নির্দেশনা অনুসারে পরিবেশগত আর্থিক ক্ষতি নিরূপণের জন্য অতিরিক্ত সচিব (অপারেশন), জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আহ্বানে বুয়েটের একজন অধ্যাপকসহ ৬ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক এভিডেভিট দাখিল করে আদালতকে অবগত করেন যে, পাথর প্রতিস্থাপনের কাজ চলমান আছে, দায়ী ব্যক্তিদের তালিকা তৈরির কাজ অব্যাহত আছে এবং ভোলাগঞ্জের পাথর কোয়ারি এরিয়া নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

বিভিন্ন পত্রিকায় সাদা পাথর লুটপাটের সংবাদ প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ রিট পিটিশন দায়ে করলে গত ১৪ আগস্ট হাইকোর্ট রুল জারি করেন। পাশাপাশি ৭ (সাত) দিনের মধ্যে বিবাদীরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লুট হওয়া উক্ত সাদা পাথর স্থানীয় সিভিল প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগীতায় সংগ্রহ করে ভোলাগঞ্জের উক্ত নির্দিষ্ট স্থানে উক্ত সাদা পাথরগুলোকে প্রতিস্থাপনের নির্দেশ দেন। জেলা প্রশাসন, বিজিবি, র‌্যাবসহ মোট ৫ (পাঁচ) জনকে সাদা পাথর লুটপাটের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে এফিডেভিট আকারে ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দেন।

পরিবেশ সচিব ও খনিজ সম্পদ সচিবকে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে যেখানে বুয়েটের একজন প্রফেসর থাকবেন তাদের মাধ্যমে পাথর সরানোর কারণে পরিবেশের কি পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তা নিরূপণ করে ২ (দুই) মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। স্থানীয় প্রশাসন ও বিবাদীদেরকে উক্ত এলাকায় ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘণ্টার মধ্যে দিন ও রাতে তদারকির জন্য মনিটরিং টিম গঠন করে ২ (দুই) সপ্তাহের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেন। শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।